৩ উইকেটে জিতল কুমিল্লা


তামিম ইকবাল এবং এনামুল হকের ১১৫ রানের জুটি। এরপর ইমরুল কায়েস আর শেষদিকে থিসারা পেরেরার ঝড়ো ব্যাটিং। এ সব মিলিয়ে খুলনা টাইটান্সকে ৩ উইকেট হারিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

খুলনা বিপক্ষে ১৮২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৯.৪ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় কুমিল্লা। উদ্বোধনীতে ১১৫ রানের জুটি গড়েন তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়। খুলনার বিপক্ষে ঝড়ো ফিফটি হাঁকিয়েছেন কুমিল্লার হয়ে খেলা দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। চলতি বিপিএলে তামিমের এটা প্রথম ফিফটি।

বিপিএলের চলতি আসরে তামিম ইকবালকে তার সেই চেনা রূপে খোঁজে পাওয়া যায়নি। এর আগে সর্বশেষ দুই ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়েছেন তামিম।

তামিমের পর সাজঘরে ফেরেন আনামুল হক বিজয়। তিনি ৩৭ বলে ৪০ রান করেন। দলনায়ক ইমরুল কায়েস ক্রিজে এসে দ্রুতগতিতে রান তোলেন।

তিনি ১১ বলে ২৮ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। এরপর জিয়াউর রহমানও ০ রান করে বিদায় নিলে শেষ ওভারে কুমিল্লার জয়ের জন্য লাগে ৮ রান। থিসারা পেরেরা এক চার ও এক ছয়ের সাহায্যে কুমিল্লাকে জয় এনে দেন। পেরেরা ৭ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন। দলীয় ১৫৩ রানে লিয়াম ডসন ও কায়েসের বিদায়ে চাপে পড়ে যায় কুমিল্লা। এরপর শহিদ আফ্রিদি ৯ বলে ১২ রান করে বিদায় নেন।

খুলনার পক্ষে জুনায়েদ খান ৪টি, লাসিথ মালিঙ্গা ১টি, মাহামুদুল্লাহ ১টি করে উইকেট নেন।

এদিকে, প্রথমে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের অধিনায়ক ইমরুল কায়েস টস জিতে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় খুলনা টাইটানসকে।

ইনিংসের শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলেছেন জুনায়েদ সিদ্দিকী। তার ব্যাটে ভর করে ২ রানে ওপেনার জহুরুল ইসলাম অমির উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়া খুলনা টাইটানস খেলায় ফেরে।

দ্বিতীয় উইকেটে আল-আমিনের সঙ্গে গড়েন ৭১ রানের জুটি। এরপর মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে ২২ ও চতুর্থ উইকেটে ডেভিড মালানের সঙ্গে ৫০ রানের কার্যকরী জুটি গড়েন জুনায়েদ।

৪১ বলে চরটি চার ও সমান ছক্কায় ৭০ রান করে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন জুনায়েদ। চলতি বিপিএলে এটা তার প্রথম ফিফটি। এরপর ডেভিড মালানের ২৫ বলে ২৯ আর আরিফুল হকের ৯ বলে ১ ছক্কায় গড়া ১৩ রানের ছোট দুই ইনিংসে ১৮১ রান পায় খুলনা।

কুমিল্লার হয়ে শহীদ আফ্রিদি ৪ ওভারে ৩ উইকেট নিলেও খরচ করেছেন ৩৫ রান। ২ উইকেট নেয়া ওয়াহাব রিয়াজেরও খরচ করেছেন ৩৪ রান।

মানবকণ্ঠ/এআর