১৫ আগস্ট খালেদার জন্মদিন প্রতিহতের ডাক ছাত্রলীগের

১৫ আগস্ট খালেদার জন্মদিন প্রতিহতের ডাক ছাত্রলীগের১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে দেশের কোথাও খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন করা হলে তা প্রতিহত করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক সন্ত্রাস বিরোধী সমাবশে এসব কথা বলা হয়।

সমাবেশে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু হয়েছে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। এর নেপথ্যে ছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছিলেন। আমাদের জাতীয় পতাকার লাল-সবুজ রংয়ের পরিবর্তে কমলা-সবুজ করতে চেয়েছিলেন। তিনি বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ, যা আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য, তা পরিবর্তন করে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ করেছিলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিভিন্ন বুদ্ধিজীবী যেমন আমাদের হুমায়ুন আজাদ স্যার, সিলেটের এএসএম কিবরিয়া, গাজীপুরের আহসানউল্লাহ মাস্টার, বর্তমানে আমাদের জাফর ইকবাল স্যারের উপর হামলা হয়েছে। ১৯৭১ সালে যেমন আমাদের বুদ্ধিজীবীদদের হত্যা করা হয়েছিল, তেমনি এখনও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী বুদ্ধিজীবী হত্যার নীলনকশা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে।

গোলাম রাব্বানী বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান বেগম খালেদা জিয়া যদি ১৫ আগস্ট শোক দিবসে বাংলাদেশের কোন জায়গায় ভুয়া জন্মদিন পালন করে, তবে ছাত্রলীগ তা প্রতিহত করবে। আমরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কোন নেতাকর্মী থাকতে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠন এবং খালেদা জিয়াকে জন্মদিন পালন করতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নেওয়ায় ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে না পেরে জামাত-শিবির কোটা আন্দোলনের মতো লন্ডনের নতুন হাওয়া ভবন থেকে দেওয়া অর্থে, ড. কামাল, জাফরউল্লাহ চৌধুরীসহ বিএনপি-জামাতপন্থী সুশীলদের প্রত্যক্ষ মদদে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের এ যৌক্তিক আন্দোলনকে ভন্ডুলের চেষ্টা করেছে। তবে তারা ব্যর্থ হয়েছে।

ছাত্র সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল এবং অন্যান্য ইউনিটের নেতাকর্মী।

মানবকণ্ঠ/ডিএইচ