হোমওয়ার্কে কাবু হয়েছিলেন অ্যামাজন প্রধান

হোমওয়ার্ক মানেই এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। নামি-দামি বিজ্ঞানী, ব্যবসায়ী সবাইকেই ছাত্রজীবনে হোমওয়ার্ক নিয়ে ভুগতে হয়েছে। আর এই হোমওয়ার্কে যদি জেফ বেজোস না ভুগতেন তাহলে হয়তো আজকের অ্যামাজন হতো না।
দ্য ইকোনমিক ক্লাব অব ওয়াশিংটনে এক সাক্ষাৎকারে নিজের ছাত্রজীবনের হোমওয়ার্ক ভোগান্তির একটি ঘটনা বলেছেন বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বেজোস। জেফ বেজোস তখন বিশ্ববিখ্যাত প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটিতে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্সে পড়ছিলেন। একদিন পার্শিয়াল ডিফারেন্সিয়াল ইকুয়েশনের একটি হোমওয়ার্ক নিয়ে পড়লেন বিশাল ঝামেলায়। রুমমেট জো এবং তিনি মিলে সমস্যাটি সমাধান করতে তিন ঘণ্টা ধরে চেষ্টা করছিলেন। কিছুতেই কিছু হলো না। উপায়ান্ত না দেখে দুইজন মিলে সিদ্ধান্ত নিলেন সমস্যাটি নিয়ে ইয়াসান্থা রাজাকরুনানায়েকের কাছে যাবেন। বেজোসের চোখে তার শ্রীলঙ্কান এই বন্ধুটি প্রিন্সটনের সবচেয়ে মেধাবী ছাত্র। যেই ভাবা সেই কাজ, বেজোস ও জো মিলে চলে গেলেন ইয়াসান্থার কাছে। তিনি কিছুক্ষণ সমীকরণটির দিকে তাকিয়েই বলে দিলেন এই ইকুয়েশনের সমাধান হচ্ছে কোসাইন (পড়ং)।
বেজোস জিজ্ঞেস করলেন কীভাবে? ইয়াসান্থা তাদের নিজের রুমে নিয়ে তিন পাতার এক জটিল অংক কষে সমাধান বের করে দিলেন। বেজোস আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি এই পুরো সমস্যাটা তখন মুখে মুখে সমাধান করে ফেলেছিলে? তিনি বললেন, আরে না! বহু আগে আমি একই রকম একটি অংক করেছিলাম তো, সেটার কথা মনে পড়ে গিয়েছিল। – আইসিটি কর্নার ডেস্ক