হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি হোটেলটি উদ্ধোধন করেন। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী হোটেলের বিভিন্ন অবকাঠামো পরিদর্শন করেন। এসময় বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী শাহজাহান কামাল ও ইন্টারকন্টিনেন্টালের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের কূটনীতিক, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

উদ্ধোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭৫-এর পর যারা ক্ষমতায় এসেছে তারা চায়নি বাংলাদেশে উন্নতি হোক কিংবা বাংলাদেশ এগিয়ে যাক। খুব স্বাভাবিকভাবেই যারা দেশের স্বাধীনতাই চায়নি তারা যখন ক্ষমতায় আসে তখন তারা তো চাইতে পারে না দেশের উন্নতি হোক। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করব। এছাড়া ২১০০ সালে বাংলাদেশ কেমন হবে সেই পরিকল্পনাও আমরা প্রণয়ন করেছি এবং গ্রহণ করেছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের শুরুর দিকে সারা বিশ্বের সাংবাদিকরা এই হোটেলে অবস্থান করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পর সাংবাদিকরা এখানে সমবেত হন সংবাদ সংগ্রহের জন্য। জুলফিকার আলী ভুট্টো এই হোটেলে এসেছিলেন এবং এখান থেকে ২৫ মার্চ গণহত্যার নির্দেশ দেন। এসব দিক থেকে এই হোটেলটি অনেক স্মৃতি বহন করে।’

উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল আগে হোটেল শেরাটন নামে পরিচিত ছিল। শেরাটনের সাথে বাংলাদেশ সরকারের চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে হোটেলটি কিছুদিন বন্ধ থাকে। এরপর সরকারি ব্যবস্থাপনা রূপসী বাংলা নামেও কিছু দিন চলেছিল হোটেলটি। আজ থেকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল নামে নতুন করে পথচলা শুরু করলো পাঁচ তারকা এ হোটেলটি।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ

Leave a Reply

Your email address will not be published.