হেরেও ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

ক্রীড়া ডেস্ক :
ট্রান্স-তাসমান ত্রিদেশীয় টি২০ সিরিজে নিজেদের শেষ ম্যাচে হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ডকে ২ রানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। যদিও তাতেও ফাইনালের টিকিট পাওয়া হয়নি সফরকারীদের। ইংলিশদের ১৯৪ রান তাড়া করতে নেমে ১৯২ রানে কিউইদের ইনিংস থেমে গেলেও রান রেটে এগিয়ে থাকায় আগামী বুধবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফাইনাল নিশ্চিত হয়েছে স্বাগতিকদের।
ফাইনালে উঠতে না পারলেও টানা তিন হারের পর এই জয়ে স্বস্তি ফিরেছে ইংলিশ শিবিরে। আর টম কুরানের আনন্দটাও কম নয়। কারণ ম্যাচের শেষ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে ইংল্যান্ডের জয়ের নায়ক তো তিনিই। যদিও ত্রিদেশীয় সিরিজ চলাকালীন পচ্ছন্দের তালিকার খেলোয়াড়দের পায়নি সফরকারীরা, তবুও তাদের প্রত্যাশার চেয়ে ক্রিকেটের ছোট এই ফরম্যাটের এ প্রতিযোগিতায় অনেকটা পিছিয়েই ছিল তারা। অপরদিকে নিজেদের সবশেষ ১৩ টি২০ ম্যাচের কেবল পাঁচটিতেই জয়ের দেখা পেয়েছে দলটি।
হ্যামিল্টনে প্রথমে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯৪ রানের সংগ্রহ পায় উইয়ন মরগানের দল। যদিও প্রত্যাশার চেয়েও মন্থর উইকেটই পেয়েছিলেন ব্যাটসম্যানরা। তবে স্বাগতিকদের জানা ছিল, রান রেটে এগিয়ে থাকায় জয় নয়, ফাইনাল নিশ্চিত করতে ১৭৫ রানই যথেষ্ট তাদের। সেখানে দুই ওপেনার মার্টিন গাপটিল এবং কলিন মুনরো পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে ৭৭ রান তুলে ফেলায় আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি নিউজিল্যান্ডকে।
মুনরো ব্যাট চালিয়েছেন তার স্বভাবসুলভ স্টাইলেই। সাজঘরে ফেরার আগে ২১ বলে ৫৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। মাত্র ১৮ বলে হাফসেঞ্চুরির কোটা পূরণ করে টি২০ ইতিহাসে যৌথভাবে চতুর্থ দ্রুততম অর্ধশতকের মালিক বনে গেছেন এই কিউ ওপেনার। তার এমন তাণ্ডবে পাওয়ার প্লেতে বল করতে এসে প্রথম ওভারে কুরান দিয়েছেন ১৭ রান এবং ডেভিড উইলির তিন ওভারে এসেছে ৩৩ রান।
তবে পাওয়ার প্লের পর স্পিনার আদিল রশিদ এবং লিয়াস ডসনের ঘূর্ণিতে ম্যাচে ফেরে ইংলিশরা। এই স্পিন-যুগল ৮ ওভারে ৪৯ রানের খরচায় তুলে নেন মুনরো এবং উইলিয়ামসনকে। কিন্তু ততক্ষণে সফরকারীদের যা ক্ষতি হওয়ার তা হয়ে গেছে। কারণ ম্যাচের শেষ অবধি জয় পেলেও কিউইদের ১৭৫ রানের মধ্যে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি ইংলিশদের।