সোশ্যাল মিডিয়া থেকে…

সাংবাদিকদের বেতন-ভাতা নিয়ে অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে, সাংবাদিকরা নাকি অবস্থান ধর্মঘট করবেন। হায় আল্লাহ, সর্বনাশ হয়ে যাবে তো!
-মঈনুল আহসান সাবের
কথাসাহিত্যিক

ভুল-সংশোধনের জন্য নিজের চেয়ে বড় ক্ষেত্র আর হয় না। অথচ, তা না করে আমরা অন্যের ভুল ধরতে ব্যস্ত হই।
-আবু হাসান শাহরিয়ার, কবি

বিরূপ সময়। ১০-৩টা অফিস। বিকেলে হাঁটাহাঁটি করে কাটাই। সন্ধ্যা থেকে অফুরন্ত সময়। একা থাকি, সময় কাটে না। বেশির ভাগ সময় মুভি দেখি। ভালো মুভির সংকট। ঢাকার এতটা দূরে ভালো মুভি কেনইবা পাওয়া যাবে। গোটা চারেক পত্রিকা, অফিসেই পড়া হয়ে যায়। বিজ্ঞাপনগুলো পর্যন্ত পড়ি, সময় কাটাই। আবদুল গাফফার চৌধুরীর কলাম মুখস্ত করি। একদিন পত্রিকার এককোনে একটা মুভির নাম দেখলাম। খুব আগ্রহী নিয়ে অপেক্ষা করলাম। রিলিজ হওয়ার পর পরই স্থানীয় শহরে খোঁজ করলাম। তারা নাম শোনেনি। একজন জুনিয়র সহকর্মী ঢাকা যাবে, আশার আলো দেখলাম। একটা ছোট্ট কাগজে মুভির নাম লিখে দিলাম। সম্ভাব্য প্রাপ্তিস্থানগুলো ও জানালাম। সহকর্মী দু’দিন পর ফিরবে। প্রতীক্ষার প্রহর খুব কষ্টের। এতদিন পাইনি সেটা এক অবস্থা ছিল কিন্তু দু’দিন পরে পাওয়া যাবে, এটা কঠিন পরিস্থিতি। সহকর্মী ফিরল। তার বক্তব্যে শুনে জানা গেল, খুঁজে বের করতে বেশ ধকল গেছে।
‘মুভির নাম শুনে কেউ কেউ এমনভাবে তাকিয়েছে যেন আমি মার্ডার কেসের আসামী’-সহকর্মীর মন্তব্যটা এমনই ছিল। যেখানে পেয়েছে তারাও নাকি তাকে প্রথমে গোয়েন্দা সংস্থার লোক বলে সন্দেহ করেছিল। সাবধানের মার নাই, না করে দিয়েছিল। দেরি না করে বাসায় চলে গেলাম। পুরোটা দেখলাম। সেই অনুভূতি এখনো স্পষ্ট অনুভব করি। সীমাহীন কষ্ট আর কতিপয় ব্যক্তির প্রতি তীব্র ঘৃণা! এখন খুঁজে পাওয়াটা সহজসাধ্য, অনলাইনেও আছে। যেহেতু অনেক বিখ্যাত মুভি দেখি, নির্মাণশৈলী হয়তো এমন কিছু আহামরি নয়, কিন্তু নির্মাণকালীন ঝুঁকি ও পাহাড়সম সীমাবদ্ধতাকে তো মনে রাখতে হবে। যদিও এটা মুভি কিন্তু ঘৃণ্য চক্রান্তের ইতিহাসটা কাহিনীকার, নির্মমতা ও কলাকুশলীরা অসাধারণ দক্ষতার সাথে চিত্রিত করেছেন। আজকাল তো আমাদের পড়ার অভ্যাস কমে গেছে, কিছু জানতে তো ইচ্ছে হয়। বন্ধুবেশী মীরজাফরের দল কর্তৃক জাতির পিতাকে হত্যার কি জঘন্যতম ষড়ষন্ত্রের নীলনকশা প্রণয়ন এবং বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে বাস্তবায়িত্ব হয়েছিল, তা জানতে আপনিও দেখতে পারেন ‘পলাশী থেকে ধানমণ্ডি’!
-মুনিরুল ইসলাম, প্রধান
কাউন্টার টেরিজম ইউনিট

কে তাকে অস্বীকার করবে? বিএনপির সময় রাষ্ট্রপতি ছিলেন আবদুর রহমান বিশ্বাস। মরবার আগে টুঙ্গিপাড়ায় গিয়ে মাজার জেয়ারত করে বলেছিলেন, বঙ্গবন্ধু না হলে এদেশ হতো না। আর এ দেশ নাহলে তিনি কিভাবে প্রেসিডেন্ট হতেন?
খান এ সবুরও মানতেন। মানতেন মুসলিম লীগের নেতারা। মানেনি বলে, তার করুণ মৃত্যুদিনে রক্তমাখা কেক কাটার কারণে খালেদা জিয়ার আজ এই পরিণতি। এই অভিশাপ।
তারপরও তাকে বগলদাবায় রাখা একক করার নামে এই প্রচার বা নিজেদের ঢোল পেটানোর দরকার আছে? শোক কবে শক্তি হবে দেশে?
-অজয় দাশগুপ্ত
প্রবাসী সাংবাদিক

নোবেল শান্তির দূত আর শান্তি কমিটির লোকটির মধ্যে আদর্শিক অনেক মিল। দু’জনেই নিজের ‘আমিত্ব’ তুলে ধরে আবোল তাবোল বলে। অপেক্ষায় আছি কোনদিন জারি হয়… ‘দেশের মুক্তিযুদ্ধ সার্বজনীন প্রক্রিয়ায় হয়নি, জনসংখ্যার একাংশ এর বিপক্ষে ছিল। সুতরাং দেশের স্বাধীনতা অবৈধ।’ এইরকম বাণী আসলেও অবাক হব না।
-আশরাফুল আলম খোকন
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি

ইউরোপে শিক্ষাটা মাতৃভাষাতেই হয়। যার প্রয়োজন সে ইংরেজিটা শিখে নেয়। সে শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিত…
-নাজীব তারেক, চিত্রশিল্পী