সোশ্যাল মিডিয়া থেকে…

পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট- আরও একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘এশিয়া-প্যসিফিক ব্রডকাস্টিং ইউনিয়ন’র সদস্যপদ লাভ করেছে, যা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য কার্যক্রম বিদেশিদের কাছে ক্রমেই আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।
-খ. ম হারুন, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব

কবির অবহেলা কবিকে। সমর সেন তার দ্বিতীয় কবিতার বই তুলে দিলেন বিষ্ণু দে’র হাতে তার বাড়িতে গিয়ে। বসে কথাবার্তা চলছে। বিষ্ণু দে’র স্ত্রী বইটি দেখতে চাইলেন। বিষ্ণু দে দুই পায়ের আঙ্গুল দিয়ে ধরে পা বাড়িয়ে বইটি তুলে দিলেন স্ত্রীর দিকে। প্রণতি দে আঁতকে উঠে বললেন- এ কী! বিষ্ণু দে খুব স্বাভাবিক কণ্ঠে বললেন- পা কি শুধু হাঁটার জন্য? বিভিন্ন কাজে পা ব্যবহার না করলে বানরে-মানুষে পার্থক্য থাকে না। বিষ্ণু দে তো অবশ্যই বুঝতেন- সমর সেন কেন, যে কোনো লেখক-কবির জন্যই এই ধরনের আচরণ চরম অপমানজনক।
তবু তিনি কেন এটা করলেন? বিষ্ণু দে কবি হিসেবে যেমন অনেক বড়, মানুষ হিসেবেও ছিলেন আপাদমস্তক বিদগ্ধ, পরিপাটি, সত্যিকারের ভদ্রলোক। সেই তিনি সমর সেনের মতো একজন অনুজ কবির সঙ্গে এমন আচরণ কেন করলেন? একটা কারণ হতে পারে যে, সমর সেন খুব ঠোঁটকাটা ছিলেন। তিনি হয়তো কোথাও বিষ্ণু দে সম্পর্কে এমন কোনো কথা বলেছেন, যা তার কাছে ক্ষমার অযোগ্য মনে হয়েছিল। তাই বিষ্ণু দে হয়তো চাইছিলেন সমর সেন যেন তার সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ না রাখেন। সমর সেন নিজেও, তরুণ হলেও, তখনই যথেষ্ট প্রভাবশালী ছিলেন। তার বিরোধিতা যে বিষ্ণু দে-র পক্ষে খুব সুখকর হবে না, সেটা তো তিনি নিশ্চয়ই বুঝতেন। তবু তিনি ঝুঁকিটা নিয়েছিলেন। তার মানে সমর সেন খুবই অসহ্য হয়ে উঠেছিলেন বিষ্ণু দে-র কাছে! এতটাই!
-জাকির তালুকদার, কথাসাহিত্যিক

নির্বাচন কমিশন যদি তাদের প্রস্তাবনায় অথবা সুপারিশে (সবার মতামত নিয়ে) নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের ইস্যুটি না রাখে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে সিইসির সঙ্গে সরকারের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে। আর যদি রাখে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে নির্বাচনে সরকারের অসহযোগিতা নিয়ে! কেননা নির্বাচন কমিশন এককভাবে নির্বাচন পরিচালনা করার ক্ষমতা রাখে না। নানাবিধ কাজে সরকারের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়।
ডিসি, এসপি, ওসি তারা তত্ত্বগতভাবে নির্বাচন-পূর্ব তিন মাস সময়ে নির্বাচন কমিশনের আওতাধীন থাকবেন। তারা নির্বাচন কমিশনের কথামতো চলবেন। এটাই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা (সংবিধানের ধারা ১২৬)। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে আমরা দেখি ভিন্নচিত্র। জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা ইসি নয়, বরং মন্ত্রণালয় থেকে নিয়ন্ত্রিত হন। তারা সরকারের ইচ্ছা-অনিচ্ছার বাইরে যেতে পারেন না। অতীত অভিজ্ঞতা আমাদের ভালো নয়।
-ড. তারেক শামসুর রেহমান, অধ্যাপক