সোশ্যাল মিডিয়া থেকে

বিশ্বজিৎ-এর রায় নিয়ে এত হইচই করছেন কেন! দর্জির দোকানের সামান্য কর্মচারী, না যারা তাকে কুপিয়েছে, কোন পক্ষ মূল্যবান ও জরুরি?
:মঈনুল আহসান সাবের, কথাসাহিত্যিক

সংলাপ-এর পর যে প্রশ্নটি এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে, তা হচ্ছে এসব প্রস্তাবের কতটুকু ইসি গ্রহণ করবে এবং নভেম্বরে যে খসড়া সুপারিশমালা প্রণয়ন করা হবে তাতে কোন কোন বিষয় অন্তর্ভুক্ত হবে। সিইসি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন এবং আমি তার ওপর আস্থাটি রাখতে চাই। কিন্তু তারপরও কথা থেকে যায় সরকার এর কতটুকু গ্রহণ করবে? আর সরকার যদি ইসির সুপারিশ গ্রহণ না করে, তাহলে ইসিরই বা কি করণীয় আছে? আসল কথা এটাই। সরকার সুপারিশমালা গ্রহণ না করলেও ইসি সাংবিধানিকভাবে ‘অনেক কিছু’ করতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় ইসি কিছুই করে না, করতে পারে না। এটাই হচ্ছে সত্য কথা। আমরা এক কঠিন সময় পার করছি।
নির্বাচন কমিশন যে আস্থাহীনতায় ভুগছিল, তা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পেরেছে বলে মনে হয় না। সংলাপ-এর আগের দিন পর্যন্ত বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করা হয়েছে।
এখন ইসির অনেকগুলোর কাজের মধ্যে একটি হচ্ছে বিএনপিকে আস্থায় নেয়া এবং ‘সকলের জন্য সমান সুযোগ’ সৃষ্টি করা। একদিকে আওয়ামী লীগের নেতারা যদি এক ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা অব্যাহত রাখেন অন্যদিকে বিএনপিকে সভা-সমাবেশ করতে না দেয়া হয় তাহলে প্রশ্ন উঠবেই। আর এজন্য ইসি অভিযুক্ত হবে বৈকি! ইসি সাংবিধানিকভাবে অনেক শক্তিশালী। আমরা চাই ইসি তার সেই ‘ক্ষমতা’ প্রয়োগ করুক। এক্ষেত্রে ইসির ব্যর্থতা আমাদেরকে একটি গভীর সংকটে ফেলে
দিতে পারে।
:ড. তারেক শামসুর রেহমান, অধ্যাপক

যিনি মরণোত্তর পাঠকস্বীকৃতি পেয়েছেন বলে চাউর আছে, সেই জীবনানন্দ দাশও সমকালেই রবীন্দ্রনাথ, বুদ্ধদেব বসু, সঞ্জয় ভট্টাচার্যসহ অনেকের মনোযোগ কেড়েছিলেন। সেকালের সবচেয়ে দীক্ষিত পাঠক ছিলেন তারা। জীবনানন্দের কবিতার কট্টর সমালোচক সজনীকান্ত দাস কবিতার অগ্রসর পাঠক না হলেও ভালো পাঠক ছিলেন। জীবনানন্দের কবিতা নিয়মিতই পড়তেন তিনি। মাত্র বারো বছর লেখালেখি করে বাংলা কবিতায় গদ্যের স্বাচ্ছন্দ্য প্রবর্তন করেছেন যে সমর সেন, তিনিও সমকালেই পাঠকস্বীকৃতি পেয়েছিলেন। দেড় দশকের বেশি সময় ধরে কবিতা লিখে তুমি বোকা সমকালের দীক্ষিত পাঠকের ছায়াও মাড়াতে পারনি। অথচ ভাবছ, ভবিষ্যতের পাঠক তোমার কবিতার নতুনত্বে পাগল হয়ে তোমাকে ফুলেল সংবর্ধনা দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। লিখছ, লেখো; আছ বোকার স্বর্গে।
:আবু হাসান শাহরিয়ার, কবি

যুদ্ধাপরাধ বিচারে আদালতের রায়ে কখনো অসন্তুষ্টি প্রকাশ করতে পারিনি। আদালত অবমাননা করা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল তাই জেনে এসেছি। বিশ্বজিৎ হত্যা মামলায় আমার চেনা সকলকে আদালতের রায়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করতে দেখছি এবং আমি তাদের সেই মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাসহ একাত্মতা জানাই। এই মতামত প্রকাশে আদালত অবমাননা হলে আমরা সবাই একযোগে দোষী হব বলে জানি। নিজেদের চোখে দেখা ক্ষতবিক্ষত বিশ্বজিৎ, চোখ বন্ধ করলেই বেঁচে থাকবার আকুতি জানায়। বিশ্বজিৎ কখনো ভুলবার নয়। তার প্রতি অন্যায়ও ভুলব না।
:শাওন মাহমুদ, শহীদ আলতাফ মাহমুদের কন্যা

আগস্ট নিয়ে শোকবিহ্বল আওয়ামী লীগ মনে রাখে না, ফণীভূষণ ও মনোরঞ্জন বাবু মোশতাকের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়েছিলেন। স্পীকার আবদুল মালেক উকিল বলেছিলেন, ফেরাউনের রাজত্ব কাল শেষ হয়েছে। মোশতাকের কথাও বলে না তারা। শোক শক্তি হবে কিভাবে?
:অজয় দাশগুপ্ত, প্রবাসী সাংবাদিক