সোশ্যাল মিডিয়া থেকে…

পত্রিকায় দেখলাম, এডিস মশার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ। যুদ্ধ ছাড়া এ দেশটা থাকতেই পারে না।
-মঈনুল আহসান সাবের, কথাসাহিত্যিক

রাখিবন্ধন আজ। বোনেরা ভাইয়ের কব্জিতে রঙিন সুতো বেঁধে দিচ্ছে। সুতো বাঁধার ব্যাপারটা হলো বা অলিখিত শর্তটা হলো, বোন-ভাইয়ের মঙ্গল কামনা করবে, আর ভাই বোনকে বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করবে। অর্থাৎ ভাই শক্তিমান, বোন দুর্বল। বাস্তব বেশিরভাগ সময় ভিন্ন। কিছু উদাহরণ দিই-১। স্বামীর বাড়িতে নির্যাতিত হচ্ছে বোন, তারপরও ভাইয়ের বাড়িতে গিয়ে উঠছে না। কারণ ভাই চায় না বোন তার বাড়িতে উঠুক। বোন শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করে অথবা বোনকে স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির লোকেরা পুড়িয়ে মেরে ফেলে। ২। ভাইয়ের বাড়িতে উঠলেও অনেক সময় নির্যাতিত বা বিধবা বোনকে তাড়িয়ে দেয় ভাই বা কাশিতে নিয়ে রেখে আসে। যদি বাড়িতে রাখে, অনেকটা চাকরানি হিসেবে রাখে। ৩। বোনের ভাগের যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, তা ছলে বলে কৌশলে বাগিয়ে নেয় ভাইয়েরা। ভাইদের ভয়ে অথবা ভাইদের জন্য ভালোবাসায় বোনেরা বোবা হয়ে থাকে। ৪। ভাইয়ের অসুখ হলে বা ভাই বিপদে পড়লে বোনেরা ঝাঁপিয়ে পড়ে ভাইকে রক্ষা করে।
আমার পরিবারে ভাইয়েরা বোনদের এক্সপ্লয়েট করে, বোনরা ভাইদের রক্ষা করে। ভাইয়েরা নেয়, বোনেরা দেয়। রাখিবন্ধনের আইডিয়াটা পুরনো, যখন মেয়েদের পঙ্গু বানিয়ে রাখত সমাজ, স্কুলে যেতে দিত না, চাকরি করতে দিত না, স্বনির্ভর হতে দিত না।
তখন ভাইদের দায়িত্ব ছিল অবলা অসহায় বোনদের করুণা করা। সময় বদলেছে। বোনদের রক্ষা করার জন্য ভাইদের এখন আর দরকার পড়ে না।
বোনরা নিজেরাই নিজেদের রক্ষা করতে পারে। যে ভাই-বোনের মধ্যে স্নেহ-ভালোবাসা আছে, রাখি বাঁধলেও সেটি থাকে, না বাঁধলেও থাকে। পুরনো যুগ নেই, পুরনো রাখিবন্ধনটা শুধু শুধু রয়ে গেছে।
-তসলিমা নাসরিন, কবি ও সাহিত্যিক

৪৯ একদম শেষ। ৫০ পূর্ণ করার দিকে যাত্রা শুরু। আপনাদের ভালোবাসা আমার অভ্যাস পচা করেছে দিন দিন। সব কাজ ফেলে ভালোবাসা পাওয়ার জন্য বসে থাকি। গুঁড়ি গুঁড়ি ভালোবাসার প্রতিটা কণা ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাই। প্রাপ্তি টিক দেয়ার চেষ্টা করি। সঞ্চয় করি। করতেই থাকি।
আপনাদের ভালোবাসাময় উপচে ওঠা আমার মন মৌচাকে। সবার ভালোবাসায় কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। যদি কারো ভালোবাসার চিরকুটে উত্তর না দিয়ে থাকি তাহলে ভুল বুঝবেন না। খুঁজে বের করে ফেলব সময়ে। ছুঁয়ে যাব ঠিক। অনেক ভালোবাসা। জীবন সুন্দর।
-শাওন মাহমুদ, শহীদ আলতাফ মাহমুদের কন্যা

কোনো মনীষী, কবি, লেখক, দার্শনিক, নেতা কারো সৌভাগ্য হয়নি দু’দিনে জš§াবার, দু’দিনে মৃত্যুবরণ করার। বাঙালি পেরেছে। যে কারণেই হোক কাল ছিল বাংলাদেশে আর আজ ওপার বাংলায় বাইশে শ্রাবণ। রবীন্দ্রনাথ জানতেন বলেই লিখেছিলেন, রেখেছো বাঙালি করে মানুষ করোনি।
-অজয় দাশগুপ্ত, প্রবাসী সাংবাদিক