সোশ্যাল মিডিয়া থেকে…

গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ প্রকল্পের প্রথম টেন্ডারটি আজ একটি দৈনিকে চোখে পড়ল। কি হতভাগা আমরা যে, বাংলা ভাষার সমৃদ্ধকরণের টেন্ডারটিও আমরা বাংলায় পাইনি। আমাদের রাষ্ট্রভাষা নাকি বাংলা!
-মোস্তাফা জব্বার
প্রযুক্তিবিদ

মদসংক্রান্ত বাংলাদেশি আইনের হাস্যকর দিক হলো, এখানে doctor এর সার্টিফিকেট নিয়ে নিজেকে রোগী প্রমাণ করে ওষুধ হিসেবে মদপান করা আইনসম্মত বলে বলা আছে। অমুসলিমদের এই সার্টিফিকেট লাগে না। হা হা হা, তার মানে যে অসুখে চিকিৎসা করতে মদ লাগে সেটা কেবল মুসলিমদের হয়? এটা তো অসম্ভব। সেই একই অসুখে অমুসলিমরা কি খায়? সেই ওষুধ না খেয়ে মুসলিমরা সার্টিফিকেট নিয়ে মদ খাবে কেন? সহকারী অধ্যাপকরা এই সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন। তাদের কাছে প্রশ্ন, কোনো মেডিকেল বইয়ে ওষুধ হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত মদ খেতে বলা আছে? তার মানে প্রতিটা সার্টিফিকেট ভুয়া, মিথ্যা ও জালিয়াতি। যে সব ডাক্তার এই সার্টিফিকেট দিয়েছেন তারা প্রত্যেকে মিথ্যাবাদী ও ভুয়া সার্টিফিকেট লেখার দায়ে অপরাধী। BMDC তাদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করুক, শাস্তি দিক। আর এই আইন তো একটা উদ্ভট উট। এরকম আইন করার উদ্দেশ্য একটাই, আইনের ফাঁক দিয়ে মুসলিম মদ্যপান। সেটা না করে, সরাসরি খেতে দিয়ে দেন। তাতে আইনের ইজ্জত বাঁচুক। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ও ইজ্জত বাঁচুক। মদ যদি ওষুধ হয় তবে ইনসেপ্টা, স্কয়ার, বেক্সিমকো, রেনাটা, তারা মদ উৎপাদন করুক। ভণ্ডামি বন্ধ হোক।
-আবদুন নূর তুষার
উপস্থাপক ও চিকিৎসক

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১), কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) এবং জীবনানন্দ দাশকে (১৮৯৯-১৯৫৪) এক সঙ্গে পাঠ করার মধ্যে একটা আলাদা আমোদ আছে। রবীন্দ্রনাথের পরিণত সৃষ্টি ও খ্যাতি, নজরুলের উদ্দাম-উচ্ছ্বাস ও দুর্বার তারুণ্য এবং জীবনানন্দের আত্ম-অন্তরীণ গভীর পরিমিতি বোধ-একটা বিশেষ সময়ে বাংলা সাহিত্যের একটা বিশেষ কালে একই সঙ্গে বাস করে। ওই সময়টার ক্রিটিক্যাল পাঠ, এদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক, এ-তিনজনের সৃষ্টি এবং ব্যক্তি চরিত্রের অনেক অজানা পাঠের পাঠোদ্ধারে সহায়ক। এসব নিয়ে লিখিত হতে পারে বাংলা সাহিত্যের এক অলিখিত ইতিহাস। আমরা কেবল এদের জš§ আর মৃত্যু দিবস নিয়ে ব্যস্ত। বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ। আর অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা। এ হচ্ছে আমাদের রবীন্দ্রনাথ, নজরুল আর জীবনানন্দ চর্চার দৌড়!
-ড. রাহমান নাসির উদ্দিন, নৃবিজ্ঞানী