সুবর্ণচরে গণধর্ষণ: আরো এক আসামি গ্রেফতার

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় স্বামী ও সন্তানদের বেঁধে রেখে এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত জামাল ওরফে হেনজু মাঝি (২৯) নামে আরো একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাকে কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

জেলা ডিবির ওসি আবুল খায়ের এ বিষয়টি নিশ্চত করে জানান, হেনজু মাঝি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে ভুক্তভোগী ওই নারী ও অন্য আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

ঘটনার পর হেনজু মাঝি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাত্রীবাহী বাসে চালকের সহকারী হিসেবে কাজ নেয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হবে।

এ নিয়ে এ মামলার এজাহারভুক্ত ৯ আসামির মধ্যে ৬ আসামিসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।এ মামলায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বাদশা আলম বাসু, রুহুল আমিন, জসিম উদ্দিন, হাসান আলী ভুলু, মো. সোহেল, স্বপন, বেচু ও মুরাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন রাতে সুবর্ণচরের মধ্যবাগ্যা গ্রামে স্বামী-সন্তানকে বেঁধে রেখে চল্লিশোর্ধ্ব এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে।চরজব্বার থানায় ওই নারীর স্বামীর দায়ের করা মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা তার বসতঘরে ভাংচুর করে, ঘরে ঢুকে বাদীকে পিটিয়ে আহত করে এবং সন্তানসহ তাকে বেঁধে রেখে দলবেঁধে ধর্ষণ করে তার স্ত্রীকে।

ওই নারীর অভিযোগ, ভোটের সময় নৌকার সমর্থকদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়েছিল। এরপর রাতে সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিনের ‘সাঙ্গপাঙ্গরা’ বাড়িতে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে।

মানবকণ্ঠ/এএম