‘সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতার বিকল্প নেই’

‘সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতার বিকল্প নেই’

সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষকদের কাছে পরামর্শ নেয়ার জন্য সকল ইন্ডাস্ট্রি ও সরকারকে এক হতে আহ্বান জানিয়েছেন হুয়াওয়ের রোটেটিং চেয়ারম্যান গুও পিং। সম্প্রতি স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস ২০১৯-এ মূল বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস (এমডাব্লিউসি) ২০১৯-এ বক্তব্য দেয়ার সময় গুও পিং সবচেয়ে শক্তিশালী ৫জি নেটওয়ার্ক গঠনে হুয়াওয়ের অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন যে নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে উদ্ভাবনের কোনো মাহাত্ম নেই। আর এ লক্ষ্যে সব প্রতিষ্ঠান ও সরকারগুলোর একজোট হয়ে কাজ করা উচিত।

নিরাপত্তা ইস্যুর কারণে করে গত কয়েক মাস হুয়াওয়ের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু হুয়াওয়ে ইতোমধ্যে দাবী করেছে প্রতিষ্ঠানটি কখনোই গ্রাহকদের তথ্য পাচার করেনি, করবেও না এবং কোন তৃতীয় পক্ষকেও তাদের সরঞ্জাম ব্যবহার করে এমন কাজের অনুমতি দিবে না। এখানে একটা বিষয় মনে রাখা জরুরি যে, ২০১৮ সালের ইইউ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট (আর এন্ড ডি) বিনিয়োগের স্কোরবোর্ডে হুয়াওয়ে বিশ্বব্যাপী ৫ম স্থানে রয়েছে। আর গত বছর প্রতিষ্ঠানটি ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে।

গুও পিং বলেছেন, প্রকৌশল খাতে আমরা যত বেশি বিনিয়োগ করব, প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে আমরা তত বেশি এগিয়ে যাব। হুয়াওয়ে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে অন্যদের চেয়ে দ্রুতগতিতে যে কোনো ক্যারিয়ারে শক্তিশালী, সহজ ও বুদ্ধিমান ৫জি নেটওয়ার্ক স্থাপন করতে পারে। হুয়াওয়ে ৫জি নেটওয়ার্কে শীর্ষস্থানীয়। কিন্তু আমরা জানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে উদ্ভাবন কোনো কাজে আসবে না। তিনি আরো বলেন, হুয়াওয়েই প্রথম কোম্পানি যা ৫জি নেটওয়ার্ক স্থাপন করতে পুরোপুরি প্রস্তুত। আরো ভালোভাবে বললে, হুয়াওয়েই একমাত্র প্রতিষ্ঠান যা ভালোমানের কর্মদক্ষতার সঙ্গে সহজে পাওয়া যায় এমন সম্ভাব্য সাইট প্রদান করতে পারে। যে কেউই সর্বোত্তম প্রযুক্তি ও বৃহত্তর নিরাপত্তার জন্য হুয়াওয়ের প্রতি আস্থা রাখতে পারে।

নিরাপত্তার উপর গুরুত্ব আরোপ করে গুও পিং ইউরোপের এসিউরেন্স টেস্টিং ও সার্টিফিকেশন সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে একত্রে কাজ করার জন্য সরকার ও মোবাইল অপারেটরদের ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি প্রযুক্তি সরবরাহকারী, ক্যারিয়ার ও কোম্পানীগুলোর দায়িত্বসমূহ চিহ্নিত করেন। তার মতে সবার জন্য একটি নিরাপদ সাইবার পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজন উন্নত মান নিশ্চিতকরণ, বাস্তবতা ভিত্তিক নীতি প্রনয়ণ ও উদার সহযোগিতা।

মানবকণ্ঠ/এসএস