সাংবাদিককে আটকে পুলিশে দিতে চাইলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন দিয়ে নেয়া ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের আন্দোলনের মধ্যেই তড়িগড়ি করে ফল প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রোববার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সোহেল রানা ও লুৎফর রহমানের রোষানলে পড়েন দৈনিক ইন্ডিপেন্ডেন্টের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক মীর আরশাদুল হক। সহকারী প্রক্টররা তাকে উপাচার্য কার্যালয়ে আটকে রাখেন এবং পুলিশ ডাকেন।

আরশাদুল হক জানান, আন্দোলনকারীদের নিকট থেকে উপাচার্য চলে যাওয়ার পরেও আমি সেখানে ছিলাম। এক পর্যায়ে আমি দেখি সোহেল রানা স্যার আমার পিছু পিছু আসছেন এবং মোবাইলের ক্যামেরায় আমার ছবি তুলছেন। আমি এর কারণ জানতে চাইলে তারা আমাকে বহিরাগত সাংবাদিক বলেন এবং আমার পরিচয়পত্র কেড়ে নেয়ার চেষ্ঠা করেন।

জানতে চাইলে সহকারী প্রক্টর ও মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সোহেল রানা বলেন, আমি শুধু তার নয়, পুরো ঘটনারই ভিডিও করছিলাম। তার কাছে আইডি কার্ড চাওয়া তো বেশি কিছু না। যদিও তিনি ঐ প্রতিবেদককে পূর্ব থেকেই চিনতেন বলে স্বীকার করেন। প্রতিবেদককে আটকে রাখা ও পুলিশ ডাকার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

পরে বিষয়টি উপাচার্যের সামনে উপস্থাপন করা হলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে ঐ সহকারী প্রক্টরদের জিজ্ঞাসা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

মানবকণ্ঠ/বিএএফ