সহিংসতার ঘটনা অনুসন্ধানের নির্দেশ সিইসির

আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গত দুই দিন ধরে নির্বাচনী প্রচারের সময় সহিংসতার ঘটনা খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা। তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই দুটি জীবন ঝরে গেছে, যা মোটেই কোনো ছোট ঘটনা নয়। প্রাণহানির ঘটনা দুটির পেছনের কারণ অনুসন্ধান করে বের করা হবে।

বৃহস্পতিবার সকালে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে করণীয় নির্ধারণে সশস্ত্র বাহিনীসহ সব বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে বৈঠকে এই নির্দেশ দেন সিইসি।

নূরুল হুদা বলেন, পেছনের একটা ঘটনার রেশ টানা প্রয়োজন। সেটি হলো ২০১৪ সালের নির্বাচন। সেই নির্বাচনের অবস্থা আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। তখন ভয়ঙ্কর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়। সেজন্য আমাদের এবারের নির্বাচনের প্রস্তুতির রূপরেখা ও কৌশল অবলম্বন করা প্রয়োজন।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ইভিএম একটি বিশেষ পদ্ধতি, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে এটার প্রয়োজন আছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদত হোসেন চৌধুরী এবং ইসি সচিবইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কোনো বাহিনীর কতসংখ্যক জনবল কতদিনের জন্য নিয়োজিত করা হবে, সে বিষয়গুলোতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে এ বৈঠক।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ