বিএনপির রঙিন বেলুন চুপসে গেছে : ওবায়দুল কাদের

সংলাপ নিয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সংলাপ থেকে বের হয়ে এসে তাদের যে হাসি হাসি মুখ ছিল তা এখন আর নেই। ১০ দিন যেতে না যেতেই তারা আবার হতাশায় ডুবে গেছে। এটা হলো বিএনপির রঙিন বেলুন এখন চুপসে গেছে। যে ফানুস আকাশে উড়িয়ে ছিল সে ফানুসও আকাশে হারিয়ে গেছে। কাজেই তাদের কোন কিছুরই নিশ্চয়তা নেই।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তার নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কবি জসীম উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস এনহান্সমেন্ট প্রজেক্টের ( সেকায়েপ) আয়োজিত শিক্ষার্থীদের উদ্দীপনা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি যখন নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সংলাপ করে, খুশি খুশি ভাব নিয়ে আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে বাহিরে এসে সাংবাদিকদের কাছে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। তখন আমি বলে ছিলাম বিএনপি নেতাদের মধ্যে খুশি খুশি ভাব। তাদের এই খুশির স্রোতে অচিরেই ভাটা পড়ে যাবে। ১৫ অক্টোবর থেকে ১০ দিন যেতে না যেতে বিএনপি এখন হতাশায় ডুবে যাচ্ছে। এখন বলছে নির্বাচন কশিনারের সংলাপ লোক দেখানো। তাদের সেই আশাবাদ ১০ দিনের মধ্যে করপুরের মত উঠে গেছে।

তিনি বলেন, ২৫ আগষ্ট থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকট চলছে। এতদিন চলে গেল খালেদা জিয়া রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কোন কথা বলেনি। মাঝে মাঝে লোক দেখানোর জন্য ফটোসেশন করতে ২-৪ জন নেতা কক্সবাজার গিয়েছেন। কিন্তু বিএনপি দলগত ভাবে রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তরিকতার কোন অনুভব করেনি। খালেদা জিয়া লন্ডন থেকে দেশে এসে রোহিঙ্গাদের কথা তার মনে পড়েছে। বিলম্বে হলেও ‘বেটার লেটদেন নেভার’ বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা থেকে সড়ক পথে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার গিয়ে রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করবেন বলে তার সিডিউল দেখেছি। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত আমরা ফোর লেন রাস্তা করেছি। বাই রোডে যখন যাবেন ফোর লেন রাস্তাটা দেখে নিন, আমি খুশি হব।

বিএনপির প্রতি অনুরোধ জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক পথে কক্সবাজার যাবেন আবার কক্সবাজার থেকে সড়ক পথে ঢাকা আসবেন। এখানে রাজনৈতিক উৎকট গন্ধ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। দয়া করে রাস্তা দখল করবেন না। ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়ক দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এ সড়ক দিয়ে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ যায়। ত্রাণ কর্মীরাও যায়। রাস্তা দখল করে সভা-সমাবেশ করবে না। সড়ক দখল করে মানুষের দুর্ভোগ বাড়াবেন না। এটা আদেশ নয় আমার অনুরোধ। জনস্বার্থে আমি বিশেষ অনুরোধটি রেখে গেলাম।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ