শেয়ার মার্কেট: ওয়ালটনের রোড শো ১৫ জানুয়ারি

শেয়ার মার্কেট: ওয়ালটনের রোড শো ১৫ জানুয়ারি

স্বনামধন্য বাংলাদেশি ব্র্যান্ড ওয়ালটনকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরো ব্যাপকভাবে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে পুঁজিবাজারে আসছে দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। খুব শিগগিরই বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) যাচ্ছে ওয়ালটন। উদ্দেশ্য বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উদ্ভাবনী প্রযুক্তিপণ্যের উৎপাদনে জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে ওয়ালটন তথা দেশের উন্নয়নের অংশীদার করা।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস ২০১৫ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি রোড শো আয়োজন করছে। আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০১৯ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় রাজধানীতে ওয়ালটনের করপোরেট অফিস, প্লট নং-১০৮৮, ব্লক-আই, রোড নং- সাবরিনা সোবহান ৫ম এভিনিউ, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ভাটারা, ঢাকা-১২২৯-এ উক্ত রোড শো অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিনিয়োগকারীদের কাছে কোম্পানির পরিচিতি, আর্থিক অবস্থা, ভবিষ্যত পরিকল্পনা এবং আইপিও সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হবে।

প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই – সেপ্টেম্বর ২০১৮) হিসাব অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১০ টাকা ৪১ পয়সা এবং নীট পরিসম্পদ (NAV) মূল্য ২০৮ টাকা। পুঁজিবাজারে প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা।

শেয়ার বাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে ওয়ালটন। উত্তোলিত এ অর্থ ওয়ালটনের কারখানার সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন, গবেষণা ও মানউন্নয়ন, ব্যাংক লোনের আংশিক দায় পরিশোধ এবং আইপিও খরচ সংকুলান খাতে ব্যয় করা হবে।

ট্রিপল এ ফাইনান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে এবং প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে রেজিস্টারার টু দ্যা ইস্যু হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

কোম্পানির সেক্রেটারি মো. ইয়াকুব আলী এফসিএ বলেন, প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে সফল দৃষ্টান্ত। গ্রাহকপ্রিয়তায় ওয়ালটন দেশের এক নম্বর ব্র্যান্ড এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্রেডিট রেটিং এর সর্বোচ্চ মানদণ্ড ট্রিপল এ (‘AAA’) রেটেড কোম্পানি।

শেয়ার মার্কেট: ওয়ালটনের রোড শো ১৫ জানুয়ারি

আগ্রহী ও উপযুক্ত বিনিয়োগকারীদের রোড শো-তে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়ে তিনি আরো বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও সঞ্চয়, খেলাধুলার প্রসার ও বিকাশ এবং সবুজ প্রযুক্তি (গ্রিন টেকনোলজি) ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষাসহ জিডিপি বৃদ্ধিতে বিশেষ অবদান রাখছে ওয়ালটন।

ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এবং সিএফও আবুল বাসার হাওলাদার বলেন, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি পণ্যের পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। এটি একটি বিশ্বস্ত ও মর্যাদাপূর্ণ ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। বিশ্ব পরিমণ্ডলে ২০২১ সালের মধ্যে ওয়ালটন গ্লোবাল ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

ওয়ালটনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর উদয় হাকিম বলেন, ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনে বিশ্বের সেরা ব্র্যান্ড হতে ইতোমধ্যেই রোডম্যাপ তৈরি করেছে ওয়ালটন। এই লক্ষ্যে ওয়ালটন আয়োজন করেছে আন্তর্জাতিক সম্মেলন। খুব শিগগিরই বিশ্ববাজার দখলে বিভিন্ন দেশের জলবায়ুর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আন্তর্জাতিক মানের পণ্য তৈরি করতে যাচ্ছে তারা। সেই সঙ্গে ওয়ালটন অংশ নিচ্ছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সব প্রতিযোগিতা এবং শীর্ষ বাণিজ্য মেলাগুলোতে। ওয়ালটনের এই অগ্রগতিতে সামিল হবে সাধারণ জনগণ; এ উদ্দেশ্যেই পুঁজিবাজারে আসা।

মানবকণ্ঠ/এসএস