শীতে চুলের শুষ্কতা থেকে রক্ষা

শীতে চুলের শুষ্কতা থেকে রক্ষা

শীতের শুরুতেই সবচেয়ে বড় সমস্যার সম্মুখীন হই আমাদের চুল নিয়ে। চুলের খুশকী, চুল পড়া এবং রুক্ষতা নিয়ে প্রায় সকলেই বেশ জটিলতার মধ্যে পড়তে হয়। তাই আমি আজ আপনাদের সামনে কিছু ছোট ছোট টিপস এর মাধ্যমে এই সমস্যা গুলির সমাধান করার চেষ্টা করব। বাড়িতে পড়ে থাকা অনেক উপকরন দিয়েই হয়ে যাবে চমৎকার সমাধান জানাচ্ছেন দি মিরর স্কিন কেয়ার বিউটি পার্লারের বিউটি এক্সপার্ট শ্যামা

এক. যাদের চুলে প্রচুর খুশকি হয় তারা পর পর ১০ দিন এই কাজটি করলে খুশকি থেকে খুব শিগগিরই ভাল উপকার পাবেন। প্রথমেই চুলে গরম ভারজিন নারেকেল তেল দিয়ে ম্যাসাজ করে লেবুর রস চুলের গোড়ায় সুন্দর ভাবে লাগাতে হবে। এভাবে ৩০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। পর পর ১০ দিন করলেই পাবেন খুশকি মুক্ত ঝলমলে চুল।

দুই. শীত কালে অনেকেই হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকিয়ে থাকেন। যারা এই ভুলটি করেন তারা চুল পড়া, চুল ভাঙ্গা, আগা ফেটে যাওয়া, চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া ইত্যাদির সম্মুখীন হন। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য- প্রথমে একটি নারকেলের অর্ধেক পরিমাণ ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। খুব অল্প পরিমাণে পানি মিশিয়ে ব্লেন্ড করতে হবে। এবার নারিকেলের পেস্টের সঙ্গে এক চা চামচ পরিমান মধু খুব ভালভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত মাখিয়ে ৩০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ঝলমলে চুলের সৌন্দর্যে আপনি নিজেই মুগ্ধ হয়ে যাবেন।

তিন. চুলের রুক্ষতা দুর করতে খুব ভালো একটি উপায় হলো পাকা কলা। পাকা কলা ব্লেন্ড করে পেস্ট করে নিতে হবে। অ্যালোভেরা জেল আলাদা করে ফেটিয়ে নিতে হবে। এবার কলার পেস্ট ও অ্যালোভেরা এক সঙ্গে মিশিয়ে এর মধ্যে আধা টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পেস্ট বানাতে হবে। চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত মাখিয়ে ৩০ মিনিট রেখে চুল পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার চুল হয়ে উঠবে নরম ও উজ্জল। বি. দ্র. চুলের এই প্যাকগুলো আপনি ০৭ দিন পর্যন্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারবেন।

চার. চুল পড়া তাৎক্ষনিক বন্ধ করার আরও ভালো একটি উপায় হলো – কুসুমসহ একটি ডিম ভালোভাবে ফেটিয়ে নিয়ে এর সঙ্গে ২ চা চামচ মেথি গুঁড়ো দিয়ে মিশ্রনটি ১ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর এই মিশ্রনটি চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত মাখিয়ে ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। ৭ দিনের মধ্যেই আপনি একটি ভালো ফল পাবেন।

মানবকণ্ঠ/এসএস