শপিংয়ের সাত সন্ধানে ব্যাংকক

শপিং করাটাই যদি ঘুরতে যাওয়ার মূল উদ্দেশ্য হয়ে থাকে তাহলে ব্যাংককের জুড়ি মেলা ভার। ব্যাংককে ট্রাভেল করবেন আর শপিং করবেন না তা কি সম্ভব? ব্যাগ আর স্যান্ডেলের জন্য ব্যাংকক অনেকেরই পছন্দের শীর্ষে। ব্যাংককের আনাচে-কানাছে ছড়িয়ে থাকা শপিং স্পটগুলোর সুলুক সন্ধান রইল শপকোহলিকদের জন্য।

এশিয়াটিক দা রিভারফন্ট: এশিয়াটিক শহরের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় শপিং কেন্দ্র। এই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বন্দরে ১৫০০ বুটিকস এবং ৪০টি রেস্টুরেন্ট আছে।
ব্যাংককের শপিংমল: দরদাম করে শপিং করতে চাইলে এমবিকে শপিংমল অন্যতম জনপ্রিয় একটি স্পট। আর ট্রেন্ডি কিছু কিনতে চাইলে যাওয়া যায় সেন্টাল ওয়ার্ল্ডে। ক্লাসি শপিং করতে চাইলে দা ইম্পরিয়াম হলো বেস্ট অপশন।
প্রাতুনাম: প্রাতুনাম লোকাল মার্কেটগুলোর মধ্যে খুবই পরিচিত। তার কারণ হচ্ছে এখানে হোলসেল আইটেম প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। তাছাড়া এই মার্কেটে সব ধরনের ফ্রেব্রিকের কাপড়ই উপস্থিত।
চাটুচাক উইকেন্ড মার্কেট: সব মার্কেটের মার্কেট হিসেবে পরিচিত চাটুচাক উইকেন্ড মার্কেট। এই মার্কেটের বৈচিত্র্য চোখে পড়ার মতো।
সিয়াম স্কোয়ার: ব্যাংককের শপিং প্রাণকেন্দ্র হলো সিয়াম স্কোয়ার। অনেক বড় মল যেমন সিয়াম প্যারাগণ এবং সিয়াম সেন্টার সরাসরি বিটিএস এবং সেন্ট্রাল ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে সংযুক্ত। এলিভেটেড ওয়াকওয়ে দিয়ে মাত্র পাঁচ মিনিটে পৌঁছানো যায় বিটিএস এবং সেন্ট্রাল ওয়ার্ল্ডে।
খাও সান এবং পাটপং: যারা মনে করেন রাত নামলেই বুঝি দোকানের ঝাঁপি নামল তাদের অবশ্যই আসতে হবে খাও সান এবং পাটপং মার্কেটে। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে খাও সান মার্কেটের পশরা বসে। পাটপং মার্কেটও অনেকটা এমনই।
পেনটিপ প্লাজা: যদি কেউ টেকনোলজি ফ্রিক হয়ে থাকেন তার জন্য সবচেয়ে ভালো হলো পেনটিপ প্লাজা। ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সব ফ্লোরেই পাওয়া যায় মোবাইল, ল্যাপটপ, নোটবুক ও কম্পিউটার। তাই কোনো গ্যাজেট কেনার হলে এই মার্কেট হল সবচেয়ে আদর্শ। – ভ্রমণ ডেস্ক