রোহিঙ্গা ইস্যুতে তোপে পড়ার শঙ্কা: জাতিসংঘ অধিবেশনেও যাচ্ছেন না সুচি

কূটনৈতিক প্রতিবেদক:
রোহিঙ্গা গণহত্যায় প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকার কারণে আন্তর্জাতিক চাপ ও তোপের কবলে পড়ার ভয়ে আসন্ন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনেও যোগ দেবেন না মিয়ানমারের সরকারপ্রধান অং সান সুচি। আঞ্চলিক নেতাদের তোপের মুখে পড়ার শঙ্কা থেকে সম্প্রতি নেপালে অনুষ্ঠিত বিমসটেক সম্মেলনেও যোগ দেননি শান্তিতে নোবেলজয়ী এই নেত্রী।
এবার মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সুচির জাতিসংঘে না যাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানালো স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সেভেন ডে ডেইলি’। বিষয়টি নিয়ে গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সুচি যাবেন না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব মি ইয়ান্ট থু। থু স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সুচির পরিবর্তে সরকারের দু’জন ঊর্ধ্বতন মন্ত্রী কিয়াও টিন্ট সোয়ে ও কিয়াও টিন আসন্ন অধিবেশনে অংশগ্রহণ করবেন। তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বর্তমান পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক সংস্থাকে সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরবেন। তবে এ নিয়ে সুচির কার্যালয়ের মুখপাত্র জ্য তাই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উল্লেখ্য, গত বছরের সেপ্টেম্বরেও তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেননি। রোহিঙ্গা গণহত্যায় বিশ্বজুড়ে তোপের মুখে পরে অনেকটা নীরব হয়ে যান সুচি। এরপর আরো কয়েকটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকেন তিনি, যার সর্বশেষ নজির ছিল বিমসটেক সামিট। এমনিতেই আন্তর্জাতিক চাপের মুখে বেকায়দায় থাকা সুচি খুব স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বনেতাদের সম্মেলনস্থল এড়ানোর চিন্তা থেকে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে আসছেন না বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।