রফতানি বাড়াতে অপ্রচলিত পণ্যে গুরুত্ব দিতে হবে

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক :
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, রফতানি পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণ করতে অপ্রচলিত পণ্যের ওপর যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল, শিল্পে কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ বিরাজ করছে। দেশে পর্যাপ্ত দক্ষ জনশক্তি রয়েছে, তুলনামূলক কম খরচে বিশ্বমানের রফতানি পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব। এ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে।
গতকাল ঢাকায় সিরডাপ মিলনায়তনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘তৈরি পোশাক শিল্পের সম্প্রসারণ ও সহজীকরণ’ শীর্ষক কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তিতায় তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসুর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত সচিব (রফতানি) তপন কান্তি ঘোষ, বিএফটিআইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলী আহমেদ, সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, বিআইডিএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনিন আহমেদ।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু তৈরি পোশাক রফতানির ওপর ভরসা করে থাকলে চলবে না। বিশ্ব বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। বাংলাদেশ গত অর্থবছরে ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি করেছে। এর মধ্যে ২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি তৈরি পোশাক। ২০২১ সালে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানির লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে রফতানি পণ্য বহুমুখীকরণ এবং বাজার সম্প্রসারণের বিকল্প নেই।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প এখন শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। দেশে বড় বড় গ্রিন ফ্যাক্টরি গড়ে উঠেছে। ফ্যাক্টরিগুলো পরিবেশবান্ধব এবং কমপ্লায়েন্স। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনাইটেড স্টেটস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল প্রয়োজনীয় তথ্য অনুসন্ধানের পর সর্বোচ্চ পয়েন্টের ভিত্তিতে ১০টি তৈরি পোশাক ফ্যাক্টরিকে এনার্জি অ্যান্ড ইনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন সার্টিফিকেশন দিয়ে থাকে। এবার ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল যে ১০টি তৈরি পোশাক ফ্যাক্টরিকে এলইইডি সার্টিফিকেট দিয়েছে এর মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকারসহ বাংলাদেশের ৭টি ফ্যাক্টরি রয়েছে। এটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য বিরল সম্মানের। অনেক বাধা বিপত্তি সফলভাবে অতিক্রম করে বাংলাদেশ এখন তৈরি পোশাক রফতানিতে বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।