যোগাযোগের মাধ্যমে ভুয়া খবর

খবরের কাগজ, টেলিভিশনের পাশাপাশি প্রতিদিনের খবরাখবর সংগ্রহের নতুন মাধ্যম হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো। এতে যখন তখন বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে বসে পাওয়া যাচ্ছে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন খবর। তবে সমস্যাও আছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে প্রতিনিয়তই বাড়ছে ভুয়া খবর ও গুজব ছড়ানোর প্রবণতা। এতে বিভ্রান্ত হচ্ছেন পাঠক। এই বিপত্তি কিছুটা হলেও কমিয়ে আনতে পদক্ষেপ নিয়েছে ফেসবুক। যোগাযোগের মাধ্যমটিতে ভুয়া খবর চেনার ১০ উপায় জানিয়েছে তারা। তারা ওই উপায়গুলো জানিয়ে দ্য টাইমস ও দ্য গার্ডিয়ানের মতো জনপ্রিয় খবরের কাগজগুলোতেও বিজ্ঞাপন দিয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

>> খবর পড়ার আগে দেখে নিন শিরোনাম। কারণ, ভুয়া খবরের শিরোনামগুলো অনেক সময় সন্দেহের
সৃষ্টি করে।
>> খবর পড়ার আগে দেখে নিতে হবে সেটির ওয়েবসাইট ঠিকানা। অপরিচিত বা সন্দেহজনক কোনো ঠিকানা দেখলে খবরটি ভুয়া হওয়ার আশঙ্কাই বেশি।
>> খবরটির সূত্র বা সোর্স যদি অপরিচিত হয় অথবা কোনো সূত্র না থাকে, তাহলে ওই খবরে বিশ্বাস না করাই ভালো।
>> ভুল বানান ও খবরটি সম্পাদনার ধরন দেখে সহজেই চেনা যেতে পারে ভুয়া খবর।
>> খবরে প্রকাশিত ছবিগুলো কতটুকু সংগতিপূর্ণ, তা বিবেচনায় আনতে হবে। ভুয়া খবরে অনেক সময় অপ্রাসঙ্গিক ছবি দেয়া হয়।
>> খবরে বর্ণিত ঘটনাটি কখন ঘটেছে, সেটা জানা জরুরি। ভুয়া খবরের প্রয়োজন হয় না
সঠিক স্থান-কাল।
>> সঠিক প্রমাণ ছাড়া খবরের কোনো ভিত্তিই থাকে না। তাই পড়ার আগে দেখে নিন, সঠিক প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে কি না।
>> কোনো খবর দেখে হুট করে বিশ্বাস করার দরকার নেই। দেখে নিন, অন্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের সঙ্গে সেটির মিল আছে কি না।
>> যে খবর পড়ছেন, সেটি কৌতুক নয় তো? বিশ্বাস করার আগে যাচাই করে নিন।
>> প্রকাশিত খবরটি মজা করে করা হতে পারে। তাই ওই খবরগুলোকে মজা হিসেবেই নিতে হবে। বিশ্বাস করার দরকার নেই। তথ্য ও সূত্র: ব্লগ ও ইন্টারনেট – ফেসটিউব ডেস্ক