যত ষড়যন্ত্র আগস্ট মাসেই প্রকাশ পায়: মতিয়া চৌধুরী

যত ষড়যন্ত্র আগস্ট মাসেই প্রকাশ পায়: মতিয়া চৌধুরী

বাংলাদেশে যত ষড়যন্ত্র হয় তা ঘুরেফিরে আগস্ট মাসেই আসে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যু থেকে ২০১৮ সালের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন পর্যন্ত যত ষড়যন্ত্র হয়েছে তা আগস্ট মাসেই প্রকাশ পেয়েছে। যদিও ষড়যন্ত্রের চিন্তাভাবনা অন্য সময় হয়। কিন্তু তা প্রকাশ পায় আগস্টেই।

শুক্রবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের উদ্যোগে ‘ষড়যন্ত্র যুগে যুগে’ নামক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. শামসুল আলম উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ রচনা করেন কলামিস্ট অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ যখনই অর্থনীতিতে উপরের দিকে উঠতে থাকে ঠিক তখনই দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বাংলাদেশকে চেপে ধরে। স্বাধীনতার পর ৭৮সালে যখন সবে মাত্র বাংলাদেশ অর্থনীতিতে স্বচ্ছ হতে শুরু করেছে ঠিক তখনই রোহিঙ্গা দ্বারা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ঢাবিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। ৭৮ সাল থেকে এখন পযর্ন্ত বারবার একই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। পাকিস্তান ও মায়ানমার উভয় দেশই ড্রাগ দ্বারা আক্রান্ত। আর রোহিঙ্গা দ্বারা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ড্রাগ ছড়িয়ে দেয়াও একটা ষড়যন্ত্র করা হয়। ষড়যন্ত্রকারীরা কখনই বসে থাকে না, তারা সব সময়ই অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টায় থাকে।

তারেক রহমানের বিষয়ে মতিয়া চৌধুরী বলেন, যেই ছেলে কাছে নিজের পিতার জন্য কোনো মায়া নেই তার কাছে দেশের জন্য কি মায়া থাকবে? মেজর জিয়া মারা যাওয়ার পর তার লাশ ঢাকায় আনা হয়েছিল। তখন তারেক নিজের পিতার লাশের মুখটা পর্যন্ত দেখে নাই। এমনকি যে সার্কিটহাউজে জিয়া মারা যায় সেই সার্কিটহাউজ এখন যাদু ঘরে পরিণত হয়েছে। নিজের পিতা মারা যাওয়ার জায়গায়ও এখন পর্যন্ত তারেক কোনোদিন পা রাখে নাই। এমন মানুষের কাছে দেশ কি আশা করতে পারে? অথচ প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকালে দেখা যায়, যে কোনো কাজ শুরু করার আগে তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের কবরের কাছে যেয়ে দোয়া চেয়ে কাজ শুরু করেন। একেই বলে আদর্শ মানুষের আদর্শ সন্তান।

বিভিন্ন লেখক ও সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, চোরের হাতের বন্দুক আর গিরস্তের হাতের বন্দুক এক করবেন না। কেননা চোরের হাতের বন্দুক আর গিরস্তের হাতের বন্দুকের কাজ এক রকম না। দুইজনের বন্দুক এক হলেও তাদের কাজ ভিন্ন রকম।

মানবকণ্ঠ/এসএস