মোবাইলে যেভাবে জানবেন জেএসসি-পিইসির ফল

মোবাইলে যেভাবে জানবেন জেএসসি-পিইসির ফলঅষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আজ। একই সঙ্গে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ীর ফল প্রকাশ করা হবে।

সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান গণভবনে ফলের অনুলিপি তুলে দেবেন। এরপর শিক্ষার্থীদের জন্য ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

দুপুর ১২টায় শিক্ষামন্ত্রী এবং ১টায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী পৃথক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন।

মোবাইলে যেভাবে জানবেন জেএসসি-পিইসির ফল:

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী :

যে কোনো মোবাইলের মেসেজ অপশন থেকে DPE লিখে স্পেস দিয়ে থানা/উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে প্রাথমিক সমাপনীর ফল জানা যাবে।

আর ইবতেদায়ীর ফল পেতে EBT লিখে স্পেস দিয়ে থানা/উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

এই এসএমএস লেখার সময় সরকারি অথবা রেজিস্ট্রার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের EMIS কোড নম্বরের প্রথম পাঁচ সংখ্যা উপজেলা/থানা কোড হিসেবে ব্যবহার করতে হবে; যা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জানা যাবে।

এছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট http://www.dpe.gov.bd/ থেকে ফল জানা যাবে।

জেএসসি-জেডিসি :

যে কোনো মোবাইলের মেসেজ অপশন থেকে JSC/JDC লিখে স্পেস দিয়ে নিজ বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2018 লিখে এসএমএস করলে ফিরতি এসএমএসে জেএসসি/জেডিসির ফল জানা যাবে।

এছাড়াও www.educationboardresults.gov.bd তে গিয়ে অথবা নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও এই ফল জানা যাবে।

এবার জেএসসি ও জেডিসিতে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৮২ জন। প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৩০ লাখ ৯৫ হাজার ১২৩ জন। গত ১ নভেম্বর জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ১৫ নভেম্বর এবং প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা ১৮ থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

মানবকণ্ঠ/এএম