মুশফিকের ডাবল সেঞ্চুরি

অবশেষে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর মুশফিক আবারও দেখা পেলেন ডাবল সেঞ্চুরি। সিলেট টেস্টে সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে পারেননি দুই ইনিংসের কোনও ইনিংসে। সেই ম্যাচের ব্যর্থ মুশফিক, দলের চেহারাও ছিল ম্লান। পাঁচ দিনের টেস্ট চারদিনেই শেষ।

প্রথম দিন দুই ওপেনারের দ্রুত বিদায় আর অভিষিক্ত মোহাম্মদ মিঠুনের শূন্য রানে বিদায়ের পর ১২ ওভারের মাথায় নামেন ব্যাটিংয়ে মিস্টার ডিপেন্ডেবল।

টি-টোয়েন্টির ধুন্ধুমার ক্রিকেট, ওয়ানডেতে দলের হাল ধরা আর টেস্টের ধৈর্য পরীক্ষা। সব মিলে মুশফিকুর রহিম যে একটা প্যাকেজ বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য, সেটার প্রমাণ আগেই দিয়েছেন অনেক।

লজ্জার হার নিয়ে ঢাকায় এসে শুধু শরীরী ভাষা বদলায়নি বাংলাদেশ দলের, বদলেছে মাঠের পারফরম্যান্সও। আগেরদিন মুমিনুল হক অল্পকটা রানের জন্য ছুঁতে পারেননি ক্যারিয়ারের প্রথম দ্বিশতক। মুশফিক অবশ্য মুমিনুলের মতো হতাশ করেননি টাইগার সমর্থকদের।

২০১৩ সালে মোহাম্মদ আশরাফুলকে সঙ্গে নিয়ে খেলেন ২০০ রানের মহাকাব্যিক এক ইনিংস। এরপর কতো ম্যাচ খেলেছেন। দ্বিশতকের আর দেখা মেলেনি। মুমিনুলকে নিয়ে মুশফিক গড়েন ২৬৬ রানের জুটি। মুমিনুলের বিদায়ের পর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে গড়েন ৭৩ রানের জুটি।

দ্বিতীয় দিনে মধ্যাহ্ন বিরতির আগ পর্যন্ত কোনও উইকেট না হারালেও মধ্যাহ্ন বিরতির পর কাইল জার্ভিসের শিকার মাহমুদুল্লাহ আর আরিফুল হক। তবু থামেননি মুশফিক। মেহেদী হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে তুলে নিলেন ক্যারিয়ারের ডাবল সেঞ্চুরি।

প্রথম দিন শেষে সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৯০ ওভারে ৩০৩/৫ (লিটন ৯, ইমরুল ০, মুমিনুল ১৬১, মিঠুন ০, মুশফিক ১১১*, তাইজুল ৪, মাহমুদউল্লাহ ০*; জার্ভিস ১৯-৫-৪৮-৩, চাটারা ১৮-১০-২৮-১, টিরিপানো ১৫-৩-৩৩-১, রাজা ১২-১-৬৩-০, উইলিয়ামস ৮-০-৩১-০, মাভুটা ১৬-০-৭৯-০, মাসাকাদজা ২-০-৭-০)

মানবকণ্ঠ/এএম