মুক্তির আগেই ‘দহন’ দেখবেন প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক অস্থিরতা, সন্ত্রাস আর মাদককে নিরুৎসাহিত করতে নির্মিত হয়েছে জাজ মাল্টিমিডিয়ার বহুল আলোচিত সিনেমা দহন। নির্মাণের শুরু থেকেই নানা আলোচনা আর সমালোচনার জন্ম দিয়ে চলেছে ছবিটি। এখন পর্যন্ত ছবিটির মুক্তি তারিখ কয়েক দফা পেছানো হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে মুক্তি পাবে ছবিটি। এর মধ্যেই জানা গেল, মুক্তির আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখানোর জন্য দহন ছবির বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ৭ নভেম্বর এক স্ট্যাটাসে ছবিটির অভিনেত্রী মনিরা আক্তার মিঠু এ তথ্য জানিয়েছেন।

মিঠুর ভাষ্য, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১০ তারিখে ছবিটা দেখবেন। ছবিটি দেখে মনিরা মিঠুর চোখের পানির সঙ্গে নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রীর চোখের পানিও পড়বে, এটা আমি নিশ্চিত। ধন্যবাদ জাজ মাল্টিমিডিয়া, ধন্যবাদ দহন টিমকে।’

এ প্রসঙ্গে দহন ছবির পরিচালক রায়হান রাফি বলেন, আমাদের ছবিটি দেখবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিঃসন্দেহে এটা আমাদের জন্য ভীষণ আনন্দের একটি বিষয়। রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আগুন সন্ত্রাসের ভয়ঙ্কর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে দহন ছবিতে। বছর কয়েক আগে আমাদের দেশে এমন ভয়ঙ্কর চিত্র হরহামেশাই দেখা গেছে। তখন মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা ছিল না। ওই সময়ের চিত্র গল্পের আকারে তুলে ধরা হয়েছে দহন ছবিতে। ছবিটির বিষয়বস্তু মূলত সন্ত্রাস ও মাদককে নিরুৎসাহিত করা। বিষয়বস্তুর কারণেই ছবিটি দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সন্ত্রাস ও মাদককে নিরুৎসাহিত করতে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে আছেন সিয়াম আহমেদ ও পূজা। সিয়াম এখানে নেশাগ্রস্ত যুবকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। পূজাকে দেখা যাবে গার্মেন্ট কন্যার চরিত্রে। এছাড়া সাংবাদিক হিসেবে আছেন জাকিয়া বারী মম। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন অভিনেত্রী মনিরা মিঠু।

ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া থেকে জানানো হয়েছে, এটি রাজনৈতিক নিরীক্ষাধর্মী সিনেমা। ক্ষমতা পরিবর্তনের খেলায় কোনো প্রাণ যেন অকালে ঝরে না পড়ে এটিই ছবির মূল বক্তব্য। ‘দহন’ ছবির গল্প লিখেছেন দেলোয়ার হোসেন দিল। এফডিসি, টঙ্গি বস্তি, পূবাইল, শাহবাগসহ বিভিন্ন লোকেশনে ছবির শুটিং হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ

Leave a Reply

Your email address will not be published.