মির্জাপুর কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রথম পুণর্মিলনী

নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজে প্রথম পুণর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল এগারটায় মেডিকেল কলেজ মাঠে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কুমুদিনী কল্যাণ সংস্থার পরিচালক শ্রীমতি সাহা, পরিচালক (শিক্ষা) ভাষা সৈনিক একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রতিভা মুৎসুদ্দি, কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এম এ হালিম, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর এম এ জলিল প্রমুখ।

জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা ও কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। সোয়া এগারটায় কলেজের বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রী এবং অতিথিবৃন্দের সমন্নয়ে একটি আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি কুমুদিনী হাসপাতাল রোড ও মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে শেষ হয়।

কলেজের ১৪তম ব্যাচের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী আফসানা কবীর পূর্ণমিলনী সম্পর্কে অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, পুরনো যাদের চিনি তাদের কাছে পেয়ে অনেক ভাল লাগছে। তাছাড়া সিনিয়র আপুদের সাথে পরিচিত হয়ে অনেক ভাল লাগছে।

কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী সাদিয়া আফরিন বলে, কলেজে ভর্তি হয়ে এত বড় একটি অনুষ্ঠান পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করছি।

কলেজের প্রথম ব্যাচের ছাত্রী নাইটএ্যাঙ্গেল মেডিকেল কলেজের এনাটমি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফাহমিদা ইয়াসমিন সোনিয়া বলেন, ১৫ বৎসর পর পূর্ণমিলনীতে এসে সহপাঠীদের কাছে পেয়ে অতিথের অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। পরীক্ষার সময় খুব ব্যস্ততা নিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ এবং শিক্ষকদের সাথে বিভিন্ন ধরনের স্মৃতি মনে পড়ছে।

তেজগাঁও কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক অধীর চন্দ্র সরকার ও আইপিএএসের কান্ট্রি ডিরেক্টর এস এম শহিদুল্লাহ বলেন, কুমুদিনী মেডিকেল কলেজের প্রথম পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমরা আনন্দিত।

কুমুদিনী কল্যাণ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহার উদ্যোগে ২০০১ সালে ৪৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। বতর্মানে এখানে ৭৩৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির সভাপতি কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হালিম ও সহ-সভাপতি কুমুদিনী হাসপাতাল ও উইমেন্স মেডিকেল কলেজের পরিচালক দুলাল চন্দ্র পোদ্দার জানান, এরই মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ১৬ বছর পার করেছে। তবে শিক্ষার্থীদের পুণর্মিলনী অনুষ্ঠান এই প্রথম।

মানবকণ্ঠ/এসএমএ/জেডএইচ

One Response to "মির্জাপুর কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রথম পুণর্মিলনী"

  1. Dr.A.S.M.Fazlullah.   23/04/2017 at 3:16 AM

    Add your comment. Glad to see the photographs of the ceremony. Congrates friend principal Halim&many many happy to see our Respected and beloved sir Prof.Dr.M.A.Jalil again after the reunion of M 14.