মনোনয়নপত্র নেয়া-জমার সময় শোডাউন নয়: ইসি

মনোনয়নপত্র নেয়া-জমার সময় শোডাউন নয়: ইসি

মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেয়ার সময় শোডাউন করা নির্বাচনী আচরণ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন উল্লেখ করে এমনটি না করতে সতর্ক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, প্রধান বিরোধী পক্ষ বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনয়নপত্র নেয়ার সময় নেতাকর্মীদের শোডাউন দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ইসি এই সতর্কতা দিয়েছে।

ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খানের সই করা ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদন হতে দেখা যায় যে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর বিভিন্ন রাজনৈতিকদলের দলীয় কার্যালয়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা জামাদানের সময় মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন সহকারে মিছিল এবং শোডাউন করা হচ্ছে, যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থী আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর ৮ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

গত ১০ নভেম্বর গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, ধানমণ্ডি কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বিক্রি নিয়ে হট্টগোল, রাস্তা অবরোধ করে মিছিল করা হয়।

বিষয়টি নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সামনে তোলা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, একটি নির্দিষ্ট এরিয়ার মধ্যে মনোনয়ন বিক্রি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আচরণ বিধি প্রতিপালন হচ্ছে না বলে মনে করি না।

রাজনৈতিক দলগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলীয় কার্যালয়েসংশ্লিষ্ট দলের মনোনয়ন সংগ্রহ ও জমার সময় আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছে বলেও অভিযোগ ওঠেছে। এক্ষেত্রে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) নির্দেশ দিয়েছে ইসি।

এদিকে ইসির নির্দেশনায় আরো বলা হয়, আরচণ বিধি অনুসারে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তার মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে কোনো ব্যক্তি মনোনয়নপত্র দাখিলে সময় কোনো প্রকার মিছিল কিংবা শোডাউন করতে পারবে না।

এ বিধি অনুসারে পরবর্তীতে রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে তা নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা দিয়েছে।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুসারে আগামী ২৮ নভেম্বর মনোনয়নপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেয়ার শেষ সময়। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যহার ৯ ডিসেম্বর। আর ভোটগ্রহণ হবে ৩০ ডিসেম্বর।

মানবকণ্ঠ/এসএস