ভুট্টা অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি কমায়

প্রায় ১০ হাজার বছর আগে মেক্সিকোর কিছু অঞ্চলে এবং আমেরিকায় ভুট্টা চাষ শুরু হয়। এখন প্রায় গোটা বিশ্বেও এর চাষ হচ্ছে। ভুট্টাকে সবজি মনে করা হলেও এটা আসলে শস্য। কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়, ভুট্টার রয়েছে নানা পুষ্টিগুণও। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। প্রতি ১০০গ্রাম ভুট্টায় ১৯ গ্রাম কার্বোহাইড্রেইট, ২ গ্রাম ফাইবার, ৩ গ্রাম প্রোটিন, ১ দশমিক ৫-এর কম চর্বি এবং ৮৬ ক্যালরি থাকে। ভুট্টায় প্রচুর পরিমাণে লৌহ বা আয়রন রয়েছে যা রক্তের লোহিতকণিকার প্রয়োজনীয় খনিজের চাহিদা পূরণ করে। এ কারণে এটি অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি কমায়।

ভুট্টায় থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়। ভুট্টায় বিদ্যমান ফাইটোকেমিক্যাল শরীরে ইনস্যুলিনের শোষণ ও নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে। এতে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত থাকে। ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও কমে। একটা ভুট্টা শরীরে এক টন বিটা ক্যারোটিন সরবরাহ করে যা চোখ ও ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

ভুট্টায় থাকা কার্বোহাইড্রেট দেরিতে হজম হয় এবং শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। যারা ওজন বাড়াতে চান তারা নিয়মিত ভুট্টা খেতে পারেন। ভুট্টায় প্রচুর পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড থাকে। এ কারণে এটি গর্ভবতী নারীদের জন্য উপকারী। গর্ভাবস্থায় নিয়মিত ভুট্টা খেলে শিশুর দৃষ্টিশক্তি ভালো হয়, মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো থাকে। সূত্র: এনডিটিভি