ভুক্তভোগীর বক্তব্য

ইমরাজ শিকদার। সম্প্রতি ভারতের চেন্নাই থেকে চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফেরেন। চিকিৎসায় কেন ভারতে গেলেন জানতে চাইলে ইমরাজ বলেন, সবচেয়ে বড় ব্যাপার চিকিৎসক ও নার্সদের সুন্দর আচরণ। এ আচরণ ও ব্যবহারের কারণে রোগীরা ৩০ শতাংশ সুস্থ হয়ে যান। তিনি বলেন, একই মানের চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সে দেশে পরীক্ষার সঠিক ফল পাওয়া যায়। অপরদিকে নবীর হোসেন কিডনির রোগী। রোগটি ধরা পড়ার পর চিকিৎসা নিচ্ছিলেন বারডেম হাসপাতালে। চিকিৎসা করাতে হাসপাতালটিতে ২০ দিনে খরচ হয় এক লাখ টাকারও বেশি। এক সময় হাসপাতালটির চিকিৎসকরা তার সুস্থ হওয়ার কোনোই সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়ে দিলে তাকে স্বজনরা চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান ভারতের চেন্নাইয়ে। সেখানে চিকিৎসা নিয়ে তিনি এখন সুস্থ।
নবীরের স্বজন আলিফ জানান, আমাদের দেশে চিকিৎসক দেখাতে টাকা দিতে হয়, আবার রোগ নির্ণয় পরীক্ষার রিপোর্ট দেখাতেও টাকা দিতে হয়। কিন্তু চেন্নাই হাসপাতালের চিত্র উল্টো। এমনো হয়েছে, চেন্নাই হাসপাতালের চিকিৎসক সকালে আমার স্বজনকে দেখেছেন; কিন্তু আমাদের ভাষা বুঝতে পারেননি বলে কোনো ফি নেননি। ওইদিনই বিকেলে চিকিৎসক দোভাষী এনে আবার রোগী দেখেছেন এবং তখন ফি নিয়েছেন।