বড় পর্দায় কাজ করতেই হবে এমন কিছু নয়

খলনায়ক নাটকে আপনি তো একটি পজিটিভ চরিত্রে কাজ করছেন?
হ্যাঁ! নাম শুনেই হয়তো বুঝতে পারছেন নাটকটি কেমন ঘরানার। তবে এই নাটকে আমার চরিত্রটি সম্পূর্ণ পজিটিভ। নাটকে আমার বিপরীতে খলনায়ক চরিত্রে তানভীর অভিনয় করছে। তার সঙ্গে আমার রোমান্স, কষ্ট, ভালোলাগা সবকিছুই এখানে প্রকাশ পাবে। অল্পতেই রেগে যাই আমি। তানভীর আমাকে খুব ভালোবাসে। কিন্তু ওর এই ভালোবাসাকে আমি সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারি না। নাটকটিতে আমার অন্তর্ভুক্তির কারণ হচ্ছে এই গল্পের প্রতিটি বাঁকে আমি টুইস্ট পেয়েছি। গল্পের মধ্যে নাটকীয়তা খুঁজে পেয়েছি। টিভির সামনে বসে দর্শক যাতে হতাশ না হয় এমন কিছুই এই গল্পে আনা হয়েছে। পরিচালক ফিরোজ কবির ডলার প্রতিটি পর্বেই নাটকীয়তা রেখেছেন। দীপ্ত টিভিতে খুব শিগগিরই নাটকটির প্রচার শুরু হবে।

বর্তমানে আপনার অভিনীত অন্যান্য ধারাবাহিকগুলো কী কী?
রহমত উল্লাহ তুহিনের ‘নিউইয়র্ক থেকে বলছি’ এবং তপু খানের ‘সময়ের গল্প’ এই দুই প্রচার চলতি ধারাবাহিক নাটকে কাজ করছি। এ ছাড়া ফেরদৌস আহমেদ রানার ‘এক পা দু’ পা’ নামের একটি ধারাবাহিকে কাজ শুরু করেছি। এখনো এটা অনএয়ার হয়নি। আর আমি একসঙ্গে অনেকগুলো নাটকে অভিনয় করতে পছন্দ করি না। দুই থেকে তিনটির বেশি ধারাবাহিকে কাজ করলে চরিত্রে মনোযোগ দেয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

ধারাবাহিক নাটকগুলোতে দর্শক তো এখন নেই বললেই চলে। তাহলে এই কাজগুলো কাদের জন্য?
নেই বললে ভুল বলা হবে। মানুষ এখন ধারাবাহিক নাটকগুলোও ইউটিউবে দেখে নিচ্ছে। নিজের কথা বলছি কাজের ফাঁকে আমিও কিন্তু নাটকগুলো ইউটিউবে দেখে নেই। টিভিতে বিজ্ঞাপনের কারণে এখন অধিকাংশই ইউটিউবে নাটক দেখে নেন। তবে আমার মনে হয় ধারাবাহিক নাটকগুলো একটি নির্দিষ্ট সময়ে ইউটিউবে পর্ব ভাগ করে দেয়া উচিত। তবে দর্শক-নাটকগুলো সম্পর্কে জানতে পারে।

নাটকগুলোতে আপনার চরিত্রে নিজেকে কতটা যোগ্য মনে করেন?
আমি আগেই বলেছি আমি একসঙ্গে অনেকগুলো নাটকে কাজ করি না। তাই এমন চরিত্রেই আমি কাজ করি যেটা আমি পারব। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আমি আমার কাজ, চরিত্র নিয়ে সন্তুষ্ট।

বড় পর্দার বিষয়ে কী ভাবছেন?
আসলে বড় পর্দায় কাজ করতেই হবে এমন কিছু নয়। আবার ভালো গল্প-চরিত্র পেলেও যে করব না তাও কিন্তু নয়। সে রকম গল্প এবং আমার চরিত্রের গুরুত্ব কতটা রয়েছে গল্পে তার ওপর নির্ভর করছে। সবকিছু মনের মতো হলে অবশ্যই বড় পর্দায় কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে।