‘বিজেপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক আরো গভীরতর হবে’

ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক ক্রমান্বয়ে আরো গভীর থেকে গভীরতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুউল আলম হানিফ।

সোমবার সকালে হোটেল সোনারগাঁও এ বাংলাদেশ সফররত ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধবের সঙ্গে প্রাতঃরাশ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

হানিফ বলেন, আমাদের দুই দেশের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ক দুই দলের মধ্যে আরো যেন গভীর হয় সেই বিষয়ে আমাদের পরস্পরের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমরা আশা করি ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ক্রমান্বয়ে আরো গভীর থেকে গভীরতর হবে। দুই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য, দুই দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা যেমন প্রয়োজন আছে, তেমনি প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়ন দরকার আছে। সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা মিয়ানামারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। শরণার্থী হিসেবে আসার পরে এটা আমাদের ঘাড়ে এসে চেপেছে। বিশ্ববাসী যেটা মনে করে রোহিঙ্গা সমস্যা মিয়ানমারকেই করতে হবে, ভারতও সেটাই মনে করে এটা তাদের সমস্যা তাদেরই সমাধান করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগের কারণে সমস্যা সমাধান আস্তে আস্তে হয়ে যাবে বলে আমরা আশা করি।

আওয়ামী লীগ

এ বিষয়ে আজকের বৈঠকে রোহিঙ্গা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আজকের বৈঠকটি ছিলো অনানুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাত। তবে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। তাদের (ভারত) মতামত ব্যক্ত করে বলেছে যে, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যে উদ্যোগ নিয়েছে ভারতও আশা করে মিয়ানমার এ সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিবে এবং সমাধান হবে।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মণি, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ প্রমুখ।

মানবকণ্ঠ/এইচআর/এসএস