বন্ধুদের নিয়ে গণধর্ষণের পর স্ত্রীর স্তন-গোপনাঙ্গ কর্তন!

বন্ধুদের নিয়ে গণধর্ষণের পর স্ত্রীর স্তন-গোপনাঙ্গ কর্তন!

একজন মেয়ের বিয়ের পর একমাত্র ভরসা স্বামী। বিয়ের পর সেই স্বামীকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকতে চান বাকিটা জীবন।। সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চান স্বামীর। স্বামীই তার মাথার উপর চায়া। কিন্তু সেই স্বামী মাঝে মাঝে হয়ে উঠেন নিঠুর আর পষাণ্ড। কুমিল্লার মুরাদনগরে ‍নিঠুর এক স্বামী জন্ম দিলেন কলঙ্কময় এক অধ্যায়ের। বন্ধুদের নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে আকলিমার নাক, স্তন, গোপনাঙ্গ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে মরদেহ গোমতী নদীতে ফেলে দেয় ওই স্বামী। ময়নাতদন্তে উঠে এসেছে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যার চিত্র।

রোববার এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুরাদনগর থানা পুলিশের এসআই বাদল। নিহত আকলিমা বেগম (৩২) দেবিদ্বার উপজেলার পৌর এলাকার পুরান বাজারের গ্রামের মৃত আবদুল হাকিমের ছেলে রবিউল আউয়ালের স্ত্রী ও বাঙ্গরী গ্রামের হারুনুর রশিদের মেয়ে।

মামলা এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আকলিমা বেগমের অনুমতি ছাড়াই শিল্পী নামের এক নারীকে বিয়ে করে স্বামী রবিউল। এরপর থেকে আকলিমার খোঁজখবর নিত না। নিজে চলার জন্য দেবিদ্বার স্কয়ার হাসপাতালে চাকরি নেয় আকলিমা। কিন্তু স্বামী রবিউল স্ত্রীর বেতনের টাকা নিয়ে যেত। শিল্পীকে নিয়ে সংসার করার পথের কাটা ছিল আকলিমা। পথের কাটা সরাতে পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে আকলিমার নাক, স্তন ও গোপনাঙ্গ কেটে মরদেহ গোমতী নদীতে ফেলে দেয় স্বামী ও তার বন্ধুরা। এ ঘটনায় নিহতের ভাই নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে রবিউল আউয়ালসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মুরাদনগর থানা পুলিশের এসআই বাদল জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর থেকে আকলিমা বেগমকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন তার স্বামী দেবিদ্বার থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে। ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে আকলিমার মরদেহ গোমতী নদীতে পাওয়া যায়। গণধর্ষণের পর তার ওপর অমানবিক নির্যাতন করে মরদেহ নদীতে ফেলে দেয় স্বামী ও তার বন্ধুরা। এ ঘটনায় নিহতের ভাই নাসির উদ্দিন এ ঘটনায় আকলিমার স্বামীসহ পাঁচজনের নামে মামলা করেছেন। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

মানবকণ্ঠ/এসএ