বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ: করতে হবে আরো অনেক কিছু

ষড়যন্ত্রের ঘেরাটোপে থেকেও তিনি হয়েছিলেন জাতির জনক, পরিণত হয়েছিলেন সাত কোটি বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা আর শোষণ-বঞ্চনা থেকে বাঙালি জাতির মুক্তিদাতা। তার অনুভবে ছিল বাংলার স্বাধীনতা, ছিল রাজশোষকদের কবল থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তি। তিনি তো চেয়েছিলেন সবার বাকস্বাধীনতা, অর্থনৈতিক শোষণ-মুক্তি, রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে বাঙালির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, সার্বিকভাবে সব নাগরিকের কল্যাণময় জীবন। তার এ চাওয়াটুকুই সহ্য হয়নি শাসকদের, তাদের এদেশীয় দোসরদের আর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের চক্রান্তকারীদের। তারা পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে পাকিস্তান রাষ্ট্রটি জন্মের পর থেকেই আর এ ষড়যন্ত্রের সমাপ্তি টানতে চেয়েছিল পঁচাত্তরে।

কিন্তু এতো ষড়যন্ত্র করেও পারেনি হিমালয়সম শির উঁচু করা মানুষটিকে নির্মূল করতে কিংবা তার স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলতে। তিনি এখন মহাশূন্যে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের কল্যাণে, যা উড্ডীন হয়েছে তারই যোগ্যকন্যা বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার উদ্যোগে আর তার যোগ্য নাতি জয়ের পরিকল্পনায়। এ দু’জনের দৃঢ় সংকল্প আর শুভ প্রচেষ্টা আজ বঙ্গবন্ধুকে চির অম্লান রূপ দিয়ে চক্রান্তকারীদের সব অশুভ চিন্তা-ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে ধুলায় মিশিয়ে দিয়েছে।

ষড়যন্ত্র করেছিল তারা যারা চায়নি এদেশ স্বাধীন হোক, দেশের মানুষ শোষণের নাগপাশ থেকে মুক্ত হোক, দেশটি পৃথিবীর মানচিত্রে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হোক। তারা ষড়যন্ত্র করে তাকে হত্যা করে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়ে যা পেয়েছে তাহলো মৃত্যুর পরে তার জীবন্ত অবস্থান মানুষের হৃদয়ে, অন্তরের মণিকোঠায়, বেইমান ব্যতীত সব বাঙালির চিন্তাচেতনায়।

ষড়যন্ত্রকারীরা সংখ্যায় কম হলেও তাদের হাত ছিল অনেক দীর্ঘ। তারা ছিল বহুরূপী। ছিল দলের ভেতরে, ছিল বাইরে, ছিল দূর-দূরান্তের দেশে। ষড়যন্ত্রের বিস্তার ঘটিয়েছে তারা হাতে হাত রেখে। ষড়যন্ত্র আর চক্রান্তের জাল বিছিয়ে ওরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই দাবিয়ে রাখতে চায়নি, তারা সব বাঙালিকেও দাবিয়ে রাখতে চেয়েছিল। শাসকদের চক্রান্তের পর চক্রান্ত আর বছরের পর বছর জেল-জীবন দেশের মানুষের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা একটুও কমাতে পারেনি।

পাকিস্তানি শাসকদের নির্যাতন, ষড়যন্ত্র, মামলা-হামলা কোনো কিছুই তাকে এক চুলও নড়াতে পারেনি তার অবস্থান থেকে। বজ্রকঠিন ব্যক্তিত্বের অধিকারী সুবিশাল হৃদয়ের এ মানুষটিকে বিশ্বাসঘাতকরা বাঁচতে দেয়নি। স্বাধীনতাবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল চক্র পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জাতির পিতাকে সপরিবারে নিশ্চিহ্ন করে দেন। ভাগ্যক্রমে তার দুই কন্যা বিদেশে অবস্থান করার কারণে বেঁচে যান। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের শোকাবহ এ দিনটিতে ইতিহাসের বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে এদেশে শুরু হয় হত্যা-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের ঘৃণ্য রাজনীতি।

তাদের ষড়যন্ত্রের শিকার হলেন এমন একজন মহামানব যিনি ১৯৪৮ সাল থেকে শুরু করে সারাটা জীবন বাঙালির মুক্তি-ভাবনা বুকে নিয়ে অবর্ণনীয় জেলজুলুম-কষ্ট-যাতনা-নির্যাতন সহ্য করেছেন আর ১৯৭২-এর ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু করে ১৪ আগস্ট ১৯৭৫ পর্যন্ত সময়ে মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশের সাত কোটি মানুষকে বাঁচানোর জন্য অনেকগুলো অভাবনীয় পদক্ষেপ নিয়ে দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে তিনি যখন সৃষ্টির পতাকা উড্ডীন করে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন এসব সহ্য হচ্ছিল না স্বাধীনতাবিরোধী যড়যন্ত্রকারীদের। নতুন স্বাধীনতাপ্রাপ্ত কোনো দেশেই স্বাধীনতার পর পর এতো অল্প সময়ে এতো বেশি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়নি।

তিনি কী না করেছিলেন এদেশের জন্য? বাহাত্তরের ১৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকেই শুরু হয় তার বিচক্ষণতায় ভরপুর রাজনৈতিক-কূটনৈতিক-অর্থনৈতিক প্রচেষ্টা। ২৪ দিনের মাথায় তিনি ভারতের লৌহমানবী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করে ১২ মার্চের মধ্যে বাংলাদেশ ভূখণ্ড থেকে ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সৈন্য ফিরিয়ে নিতে সম্মত করান যা ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত। সাতচল্লিশ দিনের মাথায় সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) গিয়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরে ডুবে যাওয়া জাহাজ আর পাকিস্তানি সৈন্যদের লুকিয়ে রাখা মাইন অপসারণে সে দেশের সাহায্য নিশ্চিত করেন। তার আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক উদ্যোগের কারণে পরাজয়ের গ্লানিতে ডুবে থাকা পাকিস্তান ১৯৭৪-এর ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়।

তারই একক প্রচেষ্টার ফলে একই বছর ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ নবীন বাংলাদেশকে সদস্যভুক্ত করে নেয়। স্বল্প সময়ের মধ্যে অনেক দেশের স্বীকৃতি আদায়সহ খুব অল্প সময়ে দেশের ভেতরে অনেক কিছু করেছেন তিনি তার কৌশলিক নেতৃত্বের মাধ্যমে: মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদানসহ তাদের কল্যাণের জন্য মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণট্রাস্ট গঠন, তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণীর সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি, ১১ মাসের মধ্যে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়ন, ভারতে আশ্রয়গ্রহণকারী এক কোটি শরণার্থীর পুনর্বাসন, ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্রিজ-কালভার্ট-রাস্তাঘাট-রেলপথ মেরামত করে ব্যবহারের উপযোগীকরণ, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থার পুনর্গঠন, সব প্রাইমারি স্কুলে বিনামূল্যে পাঠ্যবই সরবরাহ, এগারো হাজার প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠা, চল্লিশ হাজার বেসরকারি প্রাইমারি স্কুল সরকারিকরণ, ব্যাংক-বীমাসহ পাকিস্তানিদের পরিত্যক্ত ৫৮০টি শিল্পকারখানা জাতীয়করণ, বন্ধ কলকারখানা চালু করে কর্মহীন মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাকরণ, রেসকোর্স ময়দানে ঘৌড়দৌড়ের নামে জুয়ার বিস্তার আর হোটেল-ক্লাবে মদ্যপানসহ ইসলামবিরোধী কার্যকলাপ নিষিদ্ধকরণ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা, এক বছরের মাথায় জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠান, অর্থনৈতিক নীতিমালাকে ঢেলে সাজিয়ে বৈদেশিক সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ, দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে দুর্নীতি দমনসহ সব সেক্টরে উৎপাদন বৃদ্ধি, জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং আরো অনেক কিছু। ২০১৮ সালের ১৪ জুলাই তারই কন্যার হাতে যাত্রা শুরু হওয়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম উদ্যোক্তাও তিনি। তার অবিশ্রান্ত উদ্যোগের ফলে দেশ যখন দ্রুত উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল তখনই কুচক্রীরা তাদের ছোবলটি মারে বাংলার বুকে, ঠিক হৃৎপিণ্ডের মধ্যখানে।

তারপর শুরু হয় দেশটিকে পেছনে টেনে নিয়ে যাওয়ার অভিযান। রাজনীতি-অজ্ঞ ব্যক্তিরা সেনানিবাস থেকে বেরিয়ে এসে স্বাধীনতাবিরোধীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নতুন দেশটাকে টানতে থাকে শূন্যের দিকে। শুরু হয় সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পাকি-আমলের প্রতিক্রিয়াশীল ধারায় দেশটাকে ফিরিয়ে নেয়ার অপচেষ্টা। স্বাধীনতার পরম শত্রু রাজাকার-আলবদর বাহিনীর হোতারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গাড়িতে স্বাধীন দেশের পতাকা উড়িয়ে এর মর্যাদাকে করে ভুলুণ্ঠিত। অভ্যুত্থানের পর অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীতে সৃষ্টি হয় অস্থির অবস্থা, খাল খনন আর ছাগল প্রকল্পের নামে দেশটাকে পরিণত করা হয় হাস্যকর রাষ্ট্রে, রাষ্ট্রযন্ত্রকে করে দেয়া হয় অকার্যকর, শুরু হয় শিক্ষাঙ্গনে অস্ত্রের ঝনঝনানি, মেধাবী ছাত্রদের হাতে তুলে দেয়া হয় বইয়ের বদলে মারণাস্ত্র, সেশনজটের কবলে ফেলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তুলে দেয়া হয় মস্তানদের হাতে, শিক্ষানীতির অভাবে আর মিসম্যানেজমেন্টের কারণে শিক্ষাব্যবস্থায় নেমে আসে ধস, আর উন্নয়নের নামে শুরু হয় অর্থনৈতিক অরাজকতা যার ফলে দেশবাসী দেখেছে বিদ্যুতের পরিবর্তে শুধু খাম্বা। গণতন্ত্রকে উর্দির ভেতরে বন্দি করে পরে ছেড়ে দেয়ার অভিনয় করা হয়েছে সেনানিবাসের ভেতরে দলছুটদের নিয়ে রাজনৈতিক দল গঠনের মাধ্যমে।

এতো ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এ দেশটাতে তারা কত যে ভেল্কিবাজি দেখিয়েছে দুই যুগ ধরে। ১৫ আগস্ট এলেই এসব দুঃখস্মৃতি ভেসে ওঠে মনের আয়নায় প্রতিটি বছর। দেশের মানুষ মনের ভেতর কষ্টের পাহাড় জিইয়ে রেখে পালন করে জাতীয় শোক দিবস, হৃদয় নিংড়ে ঢেলে দেয় বিনম্র শ্রদ্ধা জাতির পিতার চরণে। মুছতে পারেনি তারা বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাস থেকে। বরং ইতিহাস আরো বেশি বাঙময় হয়ে উঠেছে। এক মুজিব শহীদ হয়েছেন কিন্তু বাংলার হাজারো মুজিবের বুকে লুকিয়ে আছে অমর সেই এক মুজিব।

ষড়যন্ত্র এখনো চলছে। দেশবিরোধীরা হঠাৎ করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, খোল থেকে তারা বেরিয়ে পড়ছে বিভিন্ন আবরণে, হরেক রকম ছুতায়, বহুরূপী ছদ্মবেশে। যা দেশবাসী দেখেছেন বিগত মাসগুলোতে; কখনো কোটা আন্দোলনে আবার কখনো নিরাপদ সড়কের আন্দোলনে। সুন্দর সুন্দর স্বপ্নঘেরা ন্যায্য আন্দোলনও তারা মাটি করে দেয় শুধু চক্রান্তমনা মানসিকতার কারণে। ঘাপটি মেরে বসে থাকা এসব ষড়যন্ত্রকারীরা কখনো থেমে থাকে না, শুধু সময় বুঝে নীরব থাকে। সময় এসেছে এদের চিনে রাখার আর কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার। এদের হীনম্মন্যতার কাছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাকে মলিন হতে দেয়া যাবে না।

আর এজন্য বঙ্গবন্ধুকন্যার হাতকে শক্তিশালী করার কোনো বিকল্প নেই। তার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজন এ মুহূর্তে সরাসরি হত্যাকাণ্ডে পর্দার পেছনে থেকে যারা দাবার ঘুঁটির চাল দিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রকাশসহ বিচার করা; বিদেশে পলাতক স্বঘোষিত খুনিদের ছয় জনকে দেশে এনে আদালতের রায় কার্যকর করা; জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডে যারা সরাসরি বেনিফিসিয়ারি তাদের ব্যাপারে মৌনতা অবলম্বন ছেড়ে দিয়ে মুখ খোলা; বঙ্গবন্ধু শহীদ হওয়ার পর স্বঘোষিত খুনিদের বিচারে যারা অহেতুক বিলম্ব ঘটিয়েছে তাদের বিচার করা; ১২ জন খুনির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বে¡ও ২০০২-২০০৬ পর্যন্ত সময়ে মামলাটি আদালতের কার্যতালিকা থেকে যারা বাদ দিয়েছিল জনগণকে তাদের নাম জানানো; বঙ্গবন্ধুকে বিভিন্নভাবে হেয় করাসহ তার রাজনৈতিক অবদানকে ম্লান করার জন্য যারা এখনও তৎপর, তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা; যারা বিদেশে স্বনির্বাসনে গিয়ে জাতির পিতার গায়ে কালিমা লেপনের অপচেষ্টায় লিপ্ত, তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া; যারা ষড়যন্ত্রের রাজনীতির মাধ্যমে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়ার পর হত্যাকারীদের বাঁচানোর অপকৌশল হিসেবে ’দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ জারি করেছিল, সংবিধানে সংশোধনী এনে কুখ্যাত এ কালো আইনটিকে সংবিধানে যুক্ত করে সংবিধানের পবিত্রতা নষ্ট করেছিল, বঙ্গবন্ধুুর খুনিদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছিল এবং সর্বোপরি, গণতন্ত্রকে হত্যা করে জনগণের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, তাদের বিচারের ব্যবস্থা করা। সংশ্লিষ্টদের চৈতন্য কি নড়ে উঠব একবার? – লেখক: শিক্ষাবিদ ও কলাম লেখক উপাচার্য, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

মানবকণ্ঠ/এএএম