বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করায় দেশ এগিয়েছে: খালিদ

বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে পথ চলার কারণেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে এবং আমরা বঙ্গবন্ধুকে মনে প্রাণে ধারণ করেছি বলেই আজ গোটা বিশ্ব বাংলাদেশকে এক নামে চিনে। বঙ্গবন্ধুকে যত বেশি ধারণ করা যাবে ততো বেশি বাংলাদেশকে ভালোবাসা যাবে।’

রোববার দুপুরে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া, এরশাদ খুনিদের রাজনীতি করার সুযোগ দিয়ে মন্ত্রী বানালেন। এসব ভুলে যাইনি আমরা, ভুলতে পারি না। এদেরকে নিয়ে বাংলাদেশ কখনোই এগিয়ে যাবে না। আজকে আমরা বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করেছি বলেই যুদ্ধাপরীধের বিচার সম্পন্ন করতে পেরেছি। আমরা বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করেছি বলে, মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করেছি বলে আজকে আমরা সকলেই বলতে পারি বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। জননেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছে বলেই সারা বিশ্বে বাংলাদেশর মর্যাদা অনেক বেশি।

দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বরুপ কুমার বাচ্চুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘১৯৪৮ সালে বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ গঠন করেছিলেন সেই ছাত্রলীগ পরবর্তীতে ৬৬’র ছয় দফার দায়িত্ব নিলেন। সেই ছাত্রলীগ শুধু ছয় দাফা দাবির দায়িত্বই নেননি বরং এই ছয় দফা দাবিকে এক দফায় পরিণত করেন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন এমনই দূরদর্শী নেতা যিনি ছাত্রলীগ গঠনের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলেন। সেই শেখ মুজিব একাত্তরের ৭ মার্চ ঘোষণা করলেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। এই স্বাধীনতার সংগ্রামের ডাকে তিনি বললেন, আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে যুদ্ধে নেমে পড়। আজ আমরা সেই নেতার জন্যই একটি স্বাধানী বাংলাদেশ পেয়েছি।

প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘এরশাদ, জিয়া এবং খালেদা জিয়ার সময় বাংলাদেশ মুখ থুবরে পড়ে ছিল। এরশাদ, জিয়া, খালেদা জিয়ার সময় শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজনীতিসহ সবকিছুকে কলুষিত করেছে। স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে ক্ষমতা দিয়েছে। যুব সমাজের হাতে মাদক তুলে দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে আমাদের মাতৃত্ব হারা করেছে। খালেদা জিয়া সেই খুনিদের ক্ষমতা দিয়ে পার্লামেন্টে নিয়ে এসেছিলেন। নিজামী, মুজাহিদকে মন্ত্রী বানিয়েছিলেন খালেদা জিয়া।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল ইমাম চৌধুরী, জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ মিজানুর রহমান মানু, নবনির্বাচিত সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ সরকার, মেডিকেল এসোসিয়েশন বোর্ডের সভাপতি ডা. বি. কে, বোস, জাসদ নেতা শহিদুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি নুরুজ্জামান জাহানী।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ

Leave a Reply

Your email address will not be published.