ফেরিওয়ালা থেকে মিস থাইল্যান্ড

অনলাইন ডেস্ক : ২৩ জুলাইকে জীবনের শ্রেষ্ঠ দিন বললেও কম বলা হয়। রাস্তার খাবার বিক্রেতা থেকে র‌্যাম্পে বাজিমাত করার পথটা নেহাত সহজ ছিল না। মিস থাইল্যান্ডের ক্রাউন মাথায় নিয়েও তাই বাস্তবটা বিশ্বাসই হয় না চলিতা সুনসেনের। কীভাবে সম্ভব হলো এই রূপকথার যাত্রা?
থাইল্যান্ডের ইয়াসোথন প্রদেশে বাসিন্দা চলিতা। জš§ থাইল্যান্ডের ননথাবুরিতে। বেড়ে ওঠা মধ্য থাইল্যান্ডের সামুত প্রাকনে। বাবা সোরানান সুনসেনে ছিলেন। মা চুতিকান সুনসেনে জš§সূত্রে আধা-জার্মান। চুতিকান কাজ করতেন একটি ছোট ট্রাভেল সংস্থায়। আর্থিক দিক থেকে সচ্ছলতা ছিল না চলিতাদের পরিবারে। চলিতার তখন মাত্র চার বছর বয়স। পরিবারকে সাহায্য করার জন্য রোজগারের খোঁজ শুরু হয় তখনই। শেষমেশ রাস্তায় ঘুরে ঘুরে খাবার বিক্রি করা শুরু করে ছোট্ট চলিতা। খাবার বিক্রির টাকা দিয়েই সংসারে সাহায্য, আবার সেই টাকা দিয়েই নিজের লেখাপড়া সবটাই চালিয়েছেন ‘মিস থাইল্যান্ড’। মাইক্রোবায়োলজিতে স্নাতক হয়েছেন। এইচআইভি পজিটিভ শিশুদের একটি আশ্রমের সঙ্গেও যুক্ত চলিতা। স্বপ্ন ছিল জীবনে মনে রাখার মতো কিছু একটা করবেন। স্বপ্ন সত্যি হলো ২০১৬-র ২৩ জুলাই ব্যাংককের রয়্যাল প্যারাগন হল হোটেল। সেখানেই শুরু হয়েছিল থাইল্যান্ডের সেরা সুন্দরীর খোঁজ। সেই প্রতিযোগিতায় সেরার মুকুট ওঠে তার মাথায়। ২০১৬-র মিস ইউনিভার্সের মঞ্চেও দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন চলিতা। ফিলিপিন্সে বসেছিল এই প্রতিযোগিতার আসর। বিজয়ী হতে না পারলেও প্রতিযোগিতার শেষ দিন পর্যন্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তিনি।
ষষ্ঠ স্থানেই শেষ হয়েছিল তার জার্নি।

মানবকণ্ঠ/আরএস

Leave a Reply

Your email address will not be published.