ফখরুলের ওপর হামলাকারীরা গ্রেফতার হলো না কেন: খালেদা

রাঙামাটি যাওয়ার পথে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়ি বহরে হামলাকারীদের গ্রেফতার না করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। রোববারে এক ইফতার অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, আমি জানতে চাই, মহাসচিবের ওপর এই হামলা হলো, তারপরে কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেফতার করতে হবে এবং শাস্তি দিতে হবে। তা না হলে বুঝব এ হামলা সরকারের নির্দেশে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা করেছে। আমাদের লোকজন কিছু না করলেও সঙ্গে সঙ্গে ধরে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি মনে করেন, বিএনপির মহাসচিবের ওপর হামলার ঘটনায় প্রমাণ হলো দেশে যত সন্ত্রাস, যত বিশৃঙ্খলা, যত অরাজকতা— সব আওয়ামী লীগ করেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এই অবস্থায় বিএনপি যেখানে নিরাপদ নয়, সেখানে অন্য মানুষদের কী করে নিরাপদ থাকবে। যখন তখন মানুষের ওপর হামলা হচ্ছে, কাউকে গ্রেফতার করা হয় না।

খালেদা জিয়া জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের বাঁচতে হলে এদের ক্ষমতা থেকে বিদায় করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে হবে।
বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, আগামীতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের সমর্থন কতটুকু, তাদের পায়ের নিচে কতটুকু মাটি আছে বুঝতে পারবে।

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান টিআইএম ফজলে রাব্বি চৌধুরী, মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দারসহ জোট নেতাদের নিয়ে ইফতার করেন খালেদা জিয়া।
ইফতারে ২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আবদুল হালিম, ইসলামী ঐক্যজোটের অ্যাডভোকেট এমএ রকীব, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, জাগপার অধ্যাপিকা রেহানা প্রধান, এনডিপির খোন্দকার গোলাম মোর্তজা, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পিপলস লীগের গরীব নেওয়াজ, ন্যাপ ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, ডিএলের সাইফুদ্দিন মনি, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের মাওলানা শেখ মজিবুর রহমান, খেলাফতে ইসলামীর মাওলানা আহমেদ আলী কাশেমী, বিজেপির আবদুল মতিন সউদ, কল্যাণ পার্টির শাহিদুর রহমান তামান্না প্রমুখ।

জাতীয় পার্টির নেতাদের মধ্যে প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএমএম আলম, আহসান হাবিব লিংকন, নবাব আলী আব্বাস খান, আনোয়ারা বেগম, মাওলানা রুহুল আমিন, জাফরুল্লাহ খান চৌধুরী, সেলিম মাস্টার, শফিউদ্দিন ভুঁইয়া, প্রয়াত নেতা কাজী জাফর আহমেদের বড় মেয়ে কাজী জয়া, কেন্দ্রীয় নেতা কাজী মো. ইকবাল, মো. শরিফউদ্দিন, এএসএম শামীম, কাজী ফয়েজ, সোলায়মান শামীম ইফতারে অংশ নেন।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় নেতা হাসান উদ্দিন সরকার, ফরিদা মনি শহিদুল্লাহ প্রমুখও ছিলেন।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ

Leave a Reply

Your email address will not be published.