‘প্লেন প্রস্তত, দ্রুত দেশে পাঠানো হবে লাশ’

নেপালে  ইউএস বাংলার ফ্লাইট বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতদের লাশ দ্রুত দেশে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস। এজন্য বিমান বাহিনীর বিমান প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি। মঙ্গলবার নেপালে অবস্থানরত বাংলাদেশি সংবাদ কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।

মাশফি বিনতে শামস জানান, হতাহতদের শনাক্ত করণ প্রক্রিয়া প্রায় শেষের দিকে। এর বাইরেও কিছু আনুষ্ঠানিকতা বাকি রয়েছে। আমাদের বুঝতে হবে, নেপালে গত ২৫ বছরের মধ্যে এমন দুর্ঘটনা ঘটেনি। তাই স্বাভাবিকভাবেই দেশটি একটি কঠিন সময় পার করছে। অনেক কিছুই নতুন করে করতে হচ্ছে।

বাংলাদেশি এ কূটনীতিক আরও জানান, দূতাবাস কর্মকর্তারা নেপালি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। লাশ শনাক্ত দ্রুত করা ও স্বজনদের বুঝিয়ে দেয়া বা দেশে পাঠানোই তাদের লক্ষ্য। ইতোমধ্যে একটি সমন্বয় সেলও খোলা হয়েছে দূতাবাসে।

আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন উল্লেখ করে সাংবাদিকদের তিনি জানান, বাকিরা শঙ্কামুক্ত। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যে তারা সুস্থ হয়ে উঠবেন।

এদিকে ঢাকায় ইউএস বাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নেপালে ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়ার পরই লাশগুলো দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। সে নাগাদ সবাইকে ধৈর্য্য ধরারও অনুরোধ জানানো হয়েছে বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থা ইউএস-বাংলার পক্ষ থেকে।

সোমবার চার ক্রুসহ ৭১ জন আরোহী নিয়ে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে পৌঁছায়। অবতরণের সময় এতে আগুন ধরে যায়। এরপর বিমানবন্দরের কাছেই একটি ফুটবল মাঠে সেটি বিধ্বস্ত হয়। এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫০ জন। এর মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিক ২৬ জন। এছাড়া বেঁচে আছেন আরও ১০ বাংলাদেশি।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ