প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন হৃদরোগে আক্রান্ত লেখক জামিরুল শরীফ

বিশিষ্ট লেখক ও আত্মচেতনার দ্যুতিময় সাহিত্যের রূপসন্ধানী প্রাবন্ধিক ও সমালোচক জামিরুল শরীফ গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত। জামিরুল শরীফ নব্বই দশকের শুরু থেকেই লিখছেন। তার প্রকাশিত দুটি প্রবন্ধগ্রন্থ ‘শব্দপ্রপাত’ ও ‘ভাবনাবৃত্ত’ মূলত সৃজনশীল সাহিত্য-সমালোচনাবিষয়ক চেতনাবৃত্তিক জীবন ও সাহিত্যের ব্যতিক্রমী পরিণাম হিসেবেই ইতিমধ্যে পাঠক মহলে হৃৎগৌরবের মর্যাদায় স্থান করে নিয়েছে।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও ২০০৭ এবং ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি মধ্যরাতে দ্বিতীয়বারের মতো তিনি আকস্মিক ‘ম্যাসিভ কার্ডিয়াক অ্যাটাকে’ আক্রান্ত হন। ইব্রাহিম কার্ডিয়াক ও পরবর্তী সময়ে এ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসা হিসেবে ৩ বার তার হৃদপিণ্ডে তাৎক্ষণিক পেসমেকারসহ ৪টি রিং প্রতিস্থাপন করা হয়। রাইট করোনারি আর্টারি এবং লেফট এন্টেরির ডিসেন্ডিং আর্টারিতে অর্থাৎ হার্টের দুই প্রধান ধমনীতে ৪টি স্টেন্ট প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। এবং পাংচার সাইট থেকে প্রচুর রক্তপাত ঘটে, যা রোগীকে প্রায় মৃত্যুমুখে পতিত করে।

বর্তমানে তিনি ১০০% দুটি ব্লকসহ ফুসফুসের সংক্রমণ ও কার্যক্ষমতা হ্রাস এবং নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে একপ্রকার মৃত্যুঝুঁকিতে রয়েছেন। জামিরুল শরীফ পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম ও শিক্ষানবিশ দুই মেধাবী সন্তানের জনক। ফলে মূলত আর্থিক সংকটের কারণে তার পূর্ণ চিকিৎসা ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন এক অনিশ্চয়বিধির অভিঘাতে বিপর্যস্ত।

বিশেষভাবে উল্লেখ্য, জামিরুল শরীফ উত্তরাধিকারের আত্মীয়-সম্বন্ধসূত্রে বঙ্গবন্ধু তথা টুঙ্গিপাড়া শেখ বংশ ও পরিবারের সঙ্গে বিগত তিন পুরুষের আত্মীয়তার সম্বন্ধ-বন্ধনের এক হৃতগৌরবে আবদ্ধ। আজকের বাস্তবতা বিবেচনা করে জামিরুল শরীফ ও তার পরিবার বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহৃদয় হস্তক্ষেপ ও স্মরণ-দৃষ্টি কামনা করেছেন। একইসঙ্গে পাঠককুলের দোয়া প্রার্থনাও করেছেন।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ