প্রথম ধাপে ৭৮ উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ

প্রথম ধাপে ৭৮ উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের ৭৮ উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত। রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও রজশাহী বিভাগের ১২ জেলার প্রথম ধাপে ৮৭ উপজেলায় ভোটের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তবে আদালতের আদেশে রাজশাহীর পবা, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার ভোট স্থগিত করা হয়।

প্রভাব খাটানোর অভিযোগে লালমনিরহাটের আদিতমারী, নেত্রকোনার পূর্বধলা ও সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ভোট স্থগিত করেছে ইসি। এছাড়া মোলান্দহ-মাদারগঞ্জ এবং নাটোর সদরে সকল প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

যেসব উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেগুলো হলো-
রংপুর বিভাগ: পঞ্চগড় জেলার সদর, আটোয়ারী, বোদা, দেবীগঞ্জ ও তেঁতুলিয়া। কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী, উলিপুর, নাগেশ্বরী, রাজারহাট, রাজিবপুর, সদর, চিলমারী ও রৌমারী। নীলফামারী জেলার সদর, ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ। লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, সদর, কালীগঞ্জ।

ময়মনসিংহ বিভাগ: জামালপুর সদর, সরিষাবাড়ী, ইসলামপুর, বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ। নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা, দুর্গাপুর, খালিয়াজুরী, মোহনগঞ্জ, কলমাকান্দা, কেন্দুয়া, মদন ও সদর।

সিলেট বিভাগ: সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক, দোয়ারাবাজার, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, সদর, দিরাই, শাল্লা, ধর্মপাশা, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর। হবিগঞ্জ জেলার সদর, বাহুবল, মাধবপুর, চুনারুঘাট, নবীগঞ্জ, আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং ও লাখাই।

রাজশাহী বিভাগ: সিরাজগঞ্জ জেলার সদর, বেলকুচি, চৌহালী, কাজিপুর, রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর, তাড়াশ। জয়পুরহাট জেলার সদর, পাঁচবিবি, আক্কেলপুর, কালাই ও ক্ষেতলাল। নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া, গুরুদাসপুর, বড়াইগ্রাম, লালপুর ও সিংড়া। রাজশাহী জেলার তানোর, গোদাগাড়ী, মোহনপুর, বাগমারা, পুঠিয়া, দূর্গাপুর, চারঘাট ও বাঘা উপজেলা।

ইসির তথ্য মতে, ৭৮ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা এক কোটি ৪২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫০ জন। মোট ভোটকেন্দ্র পাঁচ হাজার ৮৪৭টি। প্রথম ধাপে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে চেয়ারম্যান ২০৭ জন, ভাইস চেয়ারম্যান ৩৮৬ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান ২৪৯ জন।

এবার দলীয় ভিত্তিতে অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও জোট অংশগ্রহণ থেকে বিরত রয়েছে। ফলে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও ক্ষমতাসীন দলের বিদ্রোহীদের মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে।

মানবকণ্ঠ/এসএস