পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্ত্রীকে পেটালেন হিরো আলম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেয়ায় নিজ স্ত্রীকে পেটালেন এ সময়ের আলোচিত মুখ হিরো আলম। জানা গেছে, হিরো আলমের স্ত্রী সাবিহা আক্তার সুমি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। মারধরের বিষয় অস্বীকার করে হিরো আলম পাল্টা শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে তাকে মারধর এবং স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

হিরো আলমের শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানান, তিনি ২-৩ মাস পরপর গ্রামে আসেন। কারণে-অকারণে স্ত্রীর ওপর নির্যাতন করেন। হিরো আলম ঢাকায় কোনো একজন মডেলকে বিয়ে করেছেন। ঘটনার দিন হিরো আলম দীর্ঘ সময় মোবাইলে কোনো মেয়ের সঙ্গে কথা বলেন। এতে স্ত্রী সুমি বাধা দেন। পরে হিরো আলম ক্ষিপ্ত হয়ে তার স্ত্রীকে মারধর করেন। পরে স্বজনরা সুমিকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

হিরো আলমের স্ত্রী বলেন, ‘মাঝে মধ্যেই হিরো আলম আমাকে মারধর করেন। পরশু রাতে তিনি ঢাকা থেকে আসেন। খাবারের পর মোবাইলে কোনো মেয়ের সঙ্গে কথা বলছিলেন। আমি নিষেধ করলে বলেন, আমি ১০টা মেয়ে নিয়ে ঘুরব, যা ইচ্ছে তাই করব। আমি ঢাকায় বিয়ে করেছি। এভাবে থাকতে পারলে থাকো না হলে চলে যাও। এক পর্যায়ে আমার গলা চেপে ধরে, শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিট করে জখম করেন।’ তিন ছেলে-মেয়ে নিয়ে তিনি কোথায় যাবেন এমন প্রশ্ন করেন সুমি।

হিরো আলমের শ্বশুর জানান, আশরাফুল হোসেন আলম থেকে হিরো আলম হয়ে যাওয়ার পর থেকেই তার আচার-ব্যবহার পরিবর্তন হয়ে যায়। তিনি মাঝেমধ্যেই বাড়িতে অশান্তি সৃষ্টি করেন। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার পারিবারিকভাবে বিচার- সালিস করা হলেও হিরো আলম ইদানিং তার মেয়ের সঙ্গে বেশি দুর্ব্যবহার করেছেন। মেয়েকে মারধরের কারণে জামাই হিরো আলমের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলেও জানান তিনি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন হিরো আলম। তিনি বলেন, ‘দু-চারটা চড়-থাপ্পড় মেরেছি, এর জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে কেন। সংসার করতে গেলে ঝগড়া বিবাদ হবেই। কাজের সুবাদে আমাকে বাইরে যেতে হয়। আমি ১০ দিন, ১৫ দিন পরপর বাড়িতে আসি। আমি বিয়ে করেছি বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।’

মানবকণ্ঠ/এফএইচ