নির্বাচন হওয়ার আগেই হেরে যায় বিএনপি: কাদের

বিএনপির অভিযোগ এখন জনগণের কাছে হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সোমবার সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেয়া শেষে সাংসাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির অংশ না নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, তারা নির্বাচন হওয়ার আগেই হেরে যায়। নির্বাচন হওয়ার আগেই তারা নির্বাচন সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য করে। বিরুপ মন্তব্য করা, নালিশ করা তাদের পুরনো অভ্যাস। যেসব নির্বাচনে তারা নির্বাচিত হয়েছে, সেসব নির্বাচনেও দেখা গেছে ফলাফল হবে, গণনা চলছে, তখনও তারা জালিয়াতির কথা বলে। এটা বিএনপির পুরনো অভ্যাস। এটা নিয়ে কারো কোনো মাথাব্যথা নেই। এটা হাস্যকর হয়ে গেছে। তাদের নালিশের কোনো বাস্তবতা, সত্যতা নেই।

একতরফা নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ জিতে যাচ্ছে বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খানের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, উনি কি নির্বাচনের নিয়ম কানুন, আইন, আচরণ বিধি, সংবিধান এসব মানতে চান না? জাতীয় নির্বাচনের পর উপজেলা নির্বাচন তো পাঁচ বছর পরেই হচ্ছে। গতবারের উপজেলা নির্বাচনেও প্রথম ধাপে বিএনপি মেজরিটি পার্সেন্ট তারা এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয় ধাপেও তারা ব্যালেন্স ছিল। তারা এখন নির্বাচনে অংশ নেবে না, কারণ তারা জানে জাতীয় নির্বাচনে যে ভরাডুবি হয়েছে, তাতে উপজেলা নির্বাচনে আরো শোচনীয় অবস্থা হবে। এই ভয়ে তারা নির্বাচনে অংশ নেবে না। বিএনপি যখন মনে করে কোনো নির্বাচনে জেতার সম্ভাবনা নেই, তখন তারা এই ধরণের অভিযোগ করে। রোজ কিয়ামত পর‌্যন্ত তারা অভিযোগ করবে।

সাদেক হোসেন খোকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনের পরপরই কিভাবে খোকা ঢাকা সিটির মেয়র হয়েছিলেন তা কি আমরা এতো সহজেই ভুলে গেলাম। সেই ভোটে ১০ শতাংশ ভোটারও ভোট দেননি বলে দাবি করেন তিনি।

নারী আসনের মনোনয়নের ক্ষেত্রে ত্যাগী এবং তৃণমূলকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, আমরা অনেক সময় নিয়েছি। আমাদের সভাপতি শেখা হাসিনা সংরক্ষিত নারী আসনের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছেন। এমন কি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় কয়েকজনের নাম তিনি আমায় লিখে রাখতে বলেছিলেন। অনেককে সেখানে আমার নিতে পারিনি, সেখানেও দু’চার জন সিলেক্টেড হয়েছে। অনেক যাচাই-বাছাই করা হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ