নির্বাচন ঘিরে তৎপর ইসি

নির্বাচন ঘিরে তৎপর ইসি

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৎপর হয়ে উঠেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন বৈঠক, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা, এবং বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। বুধবারও নির্বাচনকালীন সময়ে সব ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধের নির্দেশনাসহ বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন। একইসঙ্গে নির্বাচনের পুণঃতফসিল ঘোষণার বিষয়টি মন্ত্রীপরিষদ বিভাগকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে সব ধরনের প্রকল্প এবং অনুদান বন্ধ রাখতে চিঠি দেয় ইসি। তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ফলাফলের গেজেট প্রকাশের আগ পর্যন্ত কোনো ধরনের অনুদান ঘোষণা বা বরাদ্দ প্রদান ও অর্থ ছাড় না দিতে চিঠিতে অনুরোধ করা হয়েছে। নির্বাচন প্রভাবমুক্ত রাখতেই এ নির্দেশ দিয়েছে ইসি।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের অনুকুলে কোনো প্রকার অনুদান ঘোষণা বা বরাদ্দ কিংবা ছাড় দিতে পারবেনা। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীও আচরণ বিধিমালা-২০০৮ এর বিধি ৩ অনুযায়ী এটি দণ্ডনীয় অপরাধ। একইসঙ্গে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের আগ পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থী সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি, তথ্য অফিস, যানবাহন, টেলিফোন, ওয়াকিটকি, বা অন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না।

প্রচার সামগ্রী সরাতে আরও তিনদিন সময়
মার্কেট, রাস্তাঘাট, যানবাহন, বিভিন্ন সরকারি- বেসরকারি স্থাপনাসহ বিভিন্ন জায়গায় যাদের নামে পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার, ফেস্টুনসহ প্রচার সামগ্রী রয়েছে, তাদেরকে এসব তুলে ফেলতে আরো তিনদিন সময় দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবারের মধ্যে নিজ খরচে এসব তুলে ফেলার নির্দেশনা ছিল। প্রার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বুধবারই এই সময় ইসি আরো তিনদিন বাড়াল।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব ব্যক্তি বা যৌথ মালিকানাধীন ভবন, প্রতিষ্ঠান, মার্কেট, যানবাহন ও স্থাপনায় প্রচার সামগ্রী রয়েছে সংশ্লিষ্ট মালিককে সেসব প্রচার সামগ্রী স্ব স্ব উদ্যোগ ও নিজ খরচে অপসারণ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এগুলো অপসারণ না করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/এসএস