‘নিখোঁজ নয়, চার বন্ধু মিলে বেড়াতে গিয়েছিল’

‘নিখোঁজ নয়, চার বন্ধু মিলে বেড়াতে গিয়েছিল’
কক্সবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র এইচএ গালিব উদ্দিন, শাহরিয়ার কামাল সাকিব, শাফিন নূর ইসলাম ও সাইয়েদ নকীবকে নিয়ে বোববার সন্ধ্যা থেকে গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে হৈচৈ পড়ে যায়। স্কুলে গিয়ে আর বাড়ীতে না ফেরায় মা-বাবাসহ স্বজনরা উৎকণ্ঠায় পড়ে যায়।

সোমবার বেলা অবশেষে দুইটায় পার্বত্য জেলা রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারের হোটেল রাজুর ৪০২ নম্বর কক্ষ থেকে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ। এর পরপরই পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। জবাবে জানিয়েছে, তারা চার বন্ধু মিলে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে রোববার কক্সবাজার থেকে গাড়ীতে করে রাঙামাটিতে পৌঁছে। সন্ধ্যায় হোটেলে ওঠে। মূলত তারা চার বন্ধু মিলে রাঙামাটিতে বেড়াতে গেয়েছিল। প্রশ্ন করলে কেউ তাদের রাঙামাটিতে নিয়ে যায়নি বলেও জানিয়েছে।

আবাসিক হোটেল রাজুর ম্যানেজার জানিয়েছে, চার কিশোর রোববার রাতে তাদের হোটেলে আসে। দু’দিনের ১২শ টাকা পরিশোধ করে ৪০২ নাম্বার রুমটি বুকিং নেয়। চারজনই চট্টগ্রাম থেকে রাঙামাটিতে ঘুরতে এসেছে জানিয়েছে। দু’দিন হোটেলে অবস্থান করবে বলে রেজিস্ট্রি খাতায় এন্ট্রি করে।

রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ওসি সত্যজিৎ বড়ুয়া জানান, পুলিশ ৪ ছাত্রকে হোটেলের ৪০২ নম্বর কক্ষ থেকে উদ্ধার করে। তারা সম্পূর্ণ সুস্থ আছে।

উদ্ধারকৃতরা হলো- কক্সবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র কক্সবাজার বাজারঘাটা এলাকার অ্যাডভোকেট আব্দুল আমিনের বড় ছেলে এইচ এ গালিব উদ্দিন, শহরের কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকার আকতার কামাল চৌধুরীর ছেলে শাহরিয়ার কামাল সাকিব, ফয়েজুল ইসলামের ছেলে শাফিন নূর ইসলাম এবং একই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ও কক্সবাজার শহরের উত্তর রুমালিয়ারছড়া এলাকার বাসিন্দা উপাধ্যক্ষ মাওলানা জহির আহমদের ছেলে সাইয়েদ নকীব।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের চার ছাত্র নিখোঁজ হয়। রোববার বিদ্যালয়ে গিয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি তারা। এ নিয়ে তাদের পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করে।

মানবকণ্ঠ/এসএ