নাস্তায় শুকনা ফল

আখরোট, চিনাবাদাম, কাঠবাদাম বা শুকনা ফল হিসেবে খোরমা কিংবা কিশমিশ পুষ্টিকর নাস্তা। তবে আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান জানাচ্ছে এসব খাবার খেতে হবে দিনে একবার। তার পরও খেয়াল রাখতে হবে বেশি কিছু বিষয়। পুষ্টি বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এ বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়-

* ফল আঁশের অন্যতম ভালো উৎস। শুকনা ফলে পানি না থাকায় এতে আঁশ ও পুষ্টি উপাদান জমাট বেঁধে থাকে এবং বেড়ে যায়। এ থেকে অল্প পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পেলেও আঁশ পাওয়া যায় বেশি যা শরীরের পেশি ফুলে যাওয়া বা সংকুচিত হওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

* শুকনা ফলে পানি না থাকায় এতে শর্করা জমাট বেঁধে থাকে। অতিরিক্ত চিনি হজমে অসুবিধা করে। এতে সালফাইটেস নামক উপাদান থাকে যা মাথাব্যথা ও ডায়রিয়ার কারণ। তাই সালফাইট নেই এমন ফল খাওয়া ভালো। ভাজাপোড়া বা ময়দানির্ভর নাস্তার চেয়ে রঙিন শুকনা ফল নাস্তা হিসেবে খাওয়া ভালো। তবে কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে।

প্রচুর পানি খাওয়া: বেশি শর্করা গ্রহণ করলে তা হজমের জন্য প্রচুর পানি পান করা প্রয়োজন। পর্যাপ্ত পানি পান করলে তা ঠিকভাবে শোষিত হবে।
সঙ্গে প্রোটিন খাওয়া: সঠিকভাবে খাওয়া হলে শুকনা ফল পেট ভরাতে সাহায্য করে। প্রোটিন বা চর্বি জাতীয় খাবার যেমন- দই বা বাদাম একসঙ্গে খাওয়া যেতে পারে। ফলে চিনি বা আঁশ কোনোটাই অতিরিক্ত হবে না।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ