নববধূর গলা কেটে পাশেই শুয়ে ছিলেন স্বামী!

বগুড়া শহরে থেকে ফাতেমা আকতারের (১৯) নামের এক নববধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী সুজন মিয়াকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে, স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর স্বামী সুজন মিয়া (২২) স্ত্রীর লাশের পাশেই শুয়ে ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে বগুড়া শহরের চকফরিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বগুড়া সদর থানার ওসি এমদাদ হোসেন জানান, নাটোরের সিংড়া উপজেলার তোজাম্মেল হোসেনের মেয়ে ফাতেমা বেগমের সঙ্গে তিন সপ্তাহ আগে সুজনের বিয়ে হয়। মঙ্গলবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সুজন ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। প্রতিবেশীরা বিষয়টি জানতে পেয়ে ঘরে তালা দিয়ে সুজনকে আটকে বুধবার ভোরে পুলিশকে খবর দেয়। পরে সকাল আটটার দিকে সেখানে যায় পুলিশ। ঘরের তালা খুলে দেখা যায়, ফাতেমার লাশ বিছানায় পড়ে রয়েছে। আর আত্মহত্যার চেষ্টাকারী সুজন মিয়া আহত অবস্থায় লাশের পাশে শুয়ে আছেন। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। সুজনকে গ্রেফতার করে চিকিৎসার জন্য একই হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ওসি আরো জানান, সুজন জানিয়েছেন তার স্ত্রীর অন্য কোথাও তার সম্পর্ক থাকায় সংসার করবে না জানালে দুজনের ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। এ ব্যাপারে ফাতেমার বাবা তোজাম্মেল হোসেন বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ