দেশে নৈরাজ্যজনক পরিস্থিতি আর চলতে দেয়া যায় না: রিজভী

দেশে নৈরাজ্যজনক পরিস্থিতি আর চলতে দেয়া যায় না: রিজভী

দেশে নৈরাজ্যজনক পরিস্থিতি আর চলতে দেয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, স্বৈরশাসনের কষাঘাতে জনগণের মনে বিষাদঘন অবস্থা বিরাজমান। দস্যুবৃত্তির পন্থায় দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে আটকিয়ে রাখা হয়েছে । তাকে চিকিৎসা না দিয়ে অসুস্থতাকে গুরুতর করার যাবতীয় ব্যবস্থা করে যাচ্ছে সরকার।’

শুক্রবার সকালে বিক্ষোভ মিছিল শেষে নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, গণতন্ত্র যাতে পুনরুজ্জীবিত হতে না পারে সেজন্য এদেশের জনপ্রিয় নেত্রী দেশনেত্রী জিয়াকে বিনা দোষে, বিনা কারণে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারান্তরালে রাখা হয়েছে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, বাংলাদেশের কারাগারগুলো এখন শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত কয়েদখানাতে পরিণত হয়েছে। যেখানে তিনি তার খেয়াল-খুশি মতো বিরোধী রাজনীতিবিদদের বন্দি রাখতে পারেন। এ নব্য বাকশাল এর বিরদ্ধে এখন সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। না হলে দেশে ঘন অন্ধকার অমানিষা ঘনিয়ে আসবে। এজন্যই সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারের আপসহীন নেত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করতে হবে।

এর আগে শুক্রবার সকাল ১১ দিকে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে এ বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বের হয়ে ফকিরাপুল-নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

মিছিলে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুন রায়, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, নীলফামারী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলমগীর সরকারসহ নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। এছাড়া মিছিলে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানা বিএনপি, মৎস্যজীবী ও তাঁতী দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এসময় নেতাকর্মীরা বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন।

মানবকণ্ঠ/এসএস