দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদ পালন

সারাদেশের ঈদের একদিন আগেই দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় আজ ঈদ উদযাপন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। নামাজ শেষে কোরবানিও দেয়া হয়েছে এসব জেলায়।

এবার ১২ আগস্ট সেপ্টেম্বর জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় বাংলাদেশের বেশিরভাগ মুসলমান ঈদ করবেন বুধবার। তবে একদিন আগে চাঁদ দেখায় সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মঙ্গলবার ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে।

চাঁদপুর: চাঁদপুরের ৪০টি গ্রামে মঙ্গলবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, শাহরাস্তি ও মতলব উত্তরের এসব গ্রামে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা ঈদ উদযাপন করছেন।

এই উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় জেলার ফরিদগঞ্জের টোরা মুন্সীরহাটে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা রহমত উল্যাহ।

জেলার হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরীফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) ১৯৩৩ সাল থেকে এই দেশে এমন ধর্মীয় প্রথা চালু করেন।

তারপর থেকে তার অনুসারীরা সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে এভাবে আগাম দুটি পবিত্র ঈদ এবং রোজা পালন করছেন।

লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুরে ১০টি গ্রামে মঙ্গলবার ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। জেলার রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও, জয়পুরা, বিঘা, বারোঘরিয়া, হোটাটিয়া, শরশোই, কাঞ্চনপুর ও রায়পুর উপজেলার কলাকোপা ও সদর উপজেলার বশিকপুরসহ ১০টি গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক মুসল্লি ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন।

মঙ্গলবার সকাল ৯টায় খান্কায়ে মাদানিয়া কাসেমিয়া রামগঞ্জ উপজেলা শাখার ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ইমামতি করেন মাওলানা মো. মনিরুল ইসলাম মজুমদার। এসব গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক মুসল্লি পৃথক পৃথকভাবে স্ব স্ব ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ পরবর্তী তারা বিশ্ব মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করেন। এরপর আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় কুরবানির পশু জবাই করেন।

মাওলানা ইসহাক (রা.) অনুসারী হিসেবে এসব এলাকার মানুষ পবিত্র ভূমি মক্কা ও মদিনার সাথে সঙ্গতি রেখে ঈদসহ সব ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। এসব গ্রামের মুসল্লিরা গত ৩৮ বছর ধরে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছেন।

মানবকণ্ঠ/ডিএইচ