দিনাজপুরে বজ্রপাতে আটজনের মৃত্যু

দিনাজপুর প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিভিন্ন উপজেলায় বজ্রপাতে শিশু-নারীসহ আটজনের মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধ হয়েছেন সাতজন। গতকাল শনিবার বিরলের রাজারামপুর গ্রামে চারজন, মোকলেসপুরে একজন, চিরিরবন্দরের চকরামপুর, বোচাগঞ্জের মালগাঁও ও খানসামার আলোকঝড়ী গ্রামের একজন করে মারা যান।
মৃতরা হলেন- বিরলের রাজারামপুর গ্রামের মেছের আলী, শুকুর উদ্দিন, কুশু চন্দ্র ও বনিতা রায়, মোকলেসপুরের সাকিবুল ইসলাম, খানসামার আলোকঝড়ী গ্রামের দীনবন্ধু রায়, চিরিরবন্দরের হালিমা খাতুন এবং বোচাগঞ্জের মালগাঁও গ্রামের গীতা রানী।
বিরল থানার ওসি আবদুল মজিদ বলেন, সকাল থেকে আমন ধানক্ষেতে কাজ করছিলেন সাত কৃষক। দুপুরে বৃষ্টির সময় তারা পাশের একটি খড়ের ছাউনির নিচে অবস্থান নিয়ে খাওয়া-দাওয়া করছিলেন। ওই সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে দুইজন এবং দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরো দুইজন মারা য়ান। বজ্রপাতে খড়ের ছাউনিটি পুড়ে যায় এবং সেখানে থাকা দুটি ছাগলও মারা যায়। আহতরা হলেন- মুক্তি রানী, নলিতা রায়, জ্যোৎস্না রানী, তাইজুল হোসেন, জিয়া, গলিরাম রায়, সুকুমার রায়। তাদের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে মোকলেসপুরের সাকিবুল ইসলাম হৃদয় বাড়ির পাশে বৃষ্টির পানিতে গোসল করার সময় বজ্রপাতে দগ্ধ হন। স্থানীয় হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানান ওসি মজিদ।
চিরিরবন্দর থানার ওসি হারেসুল ইসলাম জানান, সকালে চকরামপুর গ্রামে বজ্রপাতে গৃহবধূ হালিমা খাতুনের মৃত্যু হয়েছে। বৃষ্টির সময় বাড়ির আঙিনায় বের হলে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলে হালিমার মৃত্যু হয়।
খানসামা থানার ওসি আবদুল মতিন প্রধান বলেন, দীনবন্ধু রায় দুপুরে আকাশে মেঘ দেখে গোয়ালে গরু বাঁধার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
বোচাগঞ্জ থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন জানান, দুপুরে বৃষ্টি শুরু হলে গীতা রানী মাঠে বাঁধা গরু আনতে গেলে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান।