দরকারি যত বিষয়

পড়ুন গোপন মেসেজ : খুব কম লোকই জানেন যে ফেসবুকের দুটি ইনবক্স রয়েছে। একটি আপনার বন্ধুদের মেসেজ পড়ার জন্য; অন্যটি তাদের মেসেজ পড়ার জন্য, যারা আপনার ফেসবুকের বন্ধু নয়। যদি দ্বিতীয় ইনবক্স সম্পর্কে এখনো আপনি না জানেন, তাহলে সম্ভবত আপনাকে প্রতিনিয়ত ফাঁকি দিয়ে যাচ্ছে আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ডলিস্টে না থাকা অন্যদের আমন্ত্রণ ও বিভিন্ন ঘটনা। এই মেসেজগুলো পড়তে হলে আপনাকে ক্লিক করতে হবে ফেসবুকের ‘মেসেজ আইকনে’, সেখান থেকে ‘মেসেজ রিকোয়েস্টে ক্লিক’ করে ‘সি ফিল্টারড রিকোয়েস্ট’ ক্লিক করলেই দেখতে পাবেন গোপন মেসেজগুলো।
শেষ কোথায় লগইন করেছিলেন : বন্ধুর বাসার কম্পিউটার থেকে লগইন করেছেন? লগআউট দিয়েছেন কি না খেয়াল নেই? ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। ফেসবুকের ‘সেটিংসে’ যান। বাঁ দিকের তালিকায় থাকা ‘সিকিউরিটি’ অপশনটি ক্লিক করে নির্বাচন করুন ‘হোয়ের ইউ লগড ইন’। এবার লগআউট দেয়ার জন্য ক্লিক করুন ‘অ্যান্ড অ্যাকটিভিটি।’ ব্যস, আর কোনো চিন্তার কারণ নেই।
ফেসবুক আইডির নিñিদ্র নিরাপত্তা : যদি ফেসবুকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সন্দেহ থাকে, তাহলে নিতে পারেন বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ‘সিকিউরিটি সেটিংস’ থেকে ব্যবহার করতে পারেন ‘লগইন অ্যাপ্রুভালস।’ এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আপনাকে বাড়তি একটা পাসওয়ার্ড পাঠিয়ে দেবে আপনার যে মোবাইলফোন নম্বরটি দেয়া রয়েছে, সেই নম্বরে। এরপর যদি কখনো অন্য কোনো কম্পিউটার বা মোবাইল থেকে আপনার আইডিতে ঢোকার চেষ্টা করেন, তখন ওই বাড়তি পাসওয়ার্ডের প্রয়োজন পড়বে। কাজেই বুঝতেই পারছেন, সচরাচর যে ডিভাইস থেকে ঢোকেন ফেসবুকে, তার বাইরে অন্য কোনো জায়গা থেকে অ্যাকাউন্টে ঢুকতে চাইলেই পারা যাবে না, কারণ এ জন্য প্রয়োজন পড়বে বাড়তি আরেকটি পাসওয়ার্ডের।
অবর্তমানে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের দায়িত্ব : যদি আপনার মনে প্রশ্ন জাগে, কী হবে আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের, যদি আমি আর তা ব্যবহার না করি? অথবা আমি যদি মারা যাই? কী হবে আমার অ্যাকাউন্টের? ফেসবুক আপনাকে সুযোগ করে দিচ্ছে এমন একটা মানুষকে নির্বাচন করে রাখার, যে আপনার মৃত্যুর পর আপনার অ্যাকাউন্ট সামলাবে। আর আপনার অ্যাকাউন্টের এই উইল করতে কোনো আইনজীবীকে ডাকার দরকার নেই। শুধু ‘সিকিউরিটি সেটিংস’ ট্যাব থেকে বাছাই করতে হবে ‘ট্রাস্টেড কনট্যাক্টস’, যাকে আপনি দায়িত্ব দিয়ে যাবেন, সে আপনার হয়ে কোনো ‘স্ট্যাটাস আপডেট’ বা ‘চ্যাট’ করতে পারবেন না, তার কাজ হবে শুধু আপনার ‘প্রোফাইল পিকচার’ পরিবর্তন করা এবং আপনার হয়ে ‘ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট’-এর জবাব দেয়া।
মেতে ওঠা কিছু নস্টালজিয়ায় : মাঝে-মধ্যেই আমাদের পুরনো স্মৃতিগুলো হাতড়ে দেখতে ইচ্ছা করে। ইচ্ছা করে নিজেদের পুরনো হাস্যকর ছবিগুলো দেখতে কিংবা সেরা বন্ধুদের সঙ্গে সেই পুরনো কথোপকথনগুলো পড়তে। আপনার ইচ্ছা পূরণের জন্য আপনাকে একটা একটা করে আর মেসেজগুলো খুঁজতে হবে না। কেবল ‘এলিপসিস’ আইকনে (তিনটি ফোঁটা দেয়া আইকন) ক্লিক করে ‘সি ফ্রেন্ডশিপ’ অপশনে ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন বন্ধুদের সঙ্গে ফেসবুকে কাটানো পুরনো দিনগুলো।
ফেসবুকে নিজের অতীত কার্যক্রম স্মরণ করা : ফেসবুকে পাচ্ছেন আপনার এ পর্যন্ত সর্বাধিক ‘লাইক’ পাওয়া বা ‘কমেন্ট’ পাওয়া যে কোনো পোস্ট। শুধু ক্লিক করতে হবে ‘ভিউ অ্যাকটিভিটি লগ’ বাটনে।
অন্যের চোখে দেখুন নিজের অ্যাকাউন্ট : যদি আপনি জানতে চান, যারা আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে নেই, তাদের কাছে আপনার প্রোফাইলটা কীভাবে দেখা যাচ্ছে, তাহলে আপনাকে ক্লিক করতে হবে ‘এলিপসিস’ আইকনে (তিনটি ফোঁটা দেয়া আইকন)। সেখান থেকে যেতে হবে ‘ভিউ অ্যাকটিভিটি লগ’, সেখানে ‘ভিউ অ্যাজ’ ক্লিক করলেই আপনি অন্যের চোখে নিজের অ্যাকাউন্টটি দেখতে পাবেন। অনেক সময় আমরা নিজের বয়স বা ঠিকানা, ফোন নম্বর এগুলো লুকিয়ে রাখি। জিনিসগুলো আসলেই ‘হাইড’ হলো কি না তা বোঝার জন্য এই পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারেন।
যোগাযোগ হবে চোখে চোখ রেখে : ফেসবুক আপনাকে শুধু লিখিতভাবে কথা চালাচালি নয়, বরং সরাসরি দেখা, শোনা ও কথা বলার কাজটিও করতে পারবেন। ভিডিও চ্যাট বা দৃশ্যমান যোগাযোগের জন্য আপনাকে চ্যাটবক্সের ওপরে ক্যামেরার আইকনে ক্লিক করতে হবে। তাহলেই আপনি আপনার ফ্রেন্ডের সঙ্গে ভিডিও চ্যাট করতে পারবেন।
তথ্য ও সূত্র: ব্লগ ও ইন্টারনেট – ফেসটিউব ডেস্ক