তাঁতি || মূলগল্প: সৌদাবেহ্ আশরাফি || অনুবাদ: ফজল হাসান

গরম দিনের ভরদুপুরে তেজদীপ্ত উজ্জ্বল আলোর সূর্য্যটা মাথার উপর ঝলমল করছে । গহর উঠানে কাপড় শুকানোর লম্বা তারের উপর ভেজা কাপড় মেলে দিচ্ছিল । সেই সময় তার বাবা হাতে ব্যাগ নিয়ে ফিরে আসেন । গহর ভাবে, “এখনই তিনি আবার শুরু করবেন ।”
“গহর, এখানে আয় এবং এগুলো নিয়ে যা।”
গহর এগিয়ে এসে বাবার হাত থেকে ব্যাগ নিয়ে যায় এবং বাজার ভর্তি ব্যাগ উপর করে আপেলগুলো ডোবার পানিতে ঢেলে দেয় । অনিচ্ছা সত্ত্বেও মাছগুলো পানির গভীরে চলে যায় এবং আপেলগুলো পানির উপর ভাসতে থাকে ।
“তিনি এখনই জিজ্ঞাসা করবেন, মা কোথায় গেছেন এবং তার সঙ্গেও পুনরায় প্রতারণা করবেন …,” গহর আপনমনে ভাবে ।
“তোর কী হয়েছে ? কপাল কুঁচকে আছিস কেন ?”
“কিচ্ছু হয়নি ।”
বাবা গায়ের কোট খোলেন এবং কপালের ঘাম মোছেন । তারপর বললেন, “বাড়ি ফেরার পথে নসরুল্লাহ্ খানের ছেলেকে দেখলাম । দেখতে কি সুন্দর হয়েছে ছেলেটা ! খোদা ওকে ভালো রাখুক ।”
গহর পানিতে ভাসমান আপেল তুলছিল । বাবা মাথা নিচু করে তারের উপর মেলে রাখা কাপড়ের নিচু দিয়ে অন্যদিকের দেয়ালের ছায়ায় গিয়ে দাঁড়ান। গহর আড়চোখে নিজের দীর্ঘ ছায়ার দিকে তাকিয়ে থাকে ।
“তিনি যখন প্রথম কাজ শুরু করেন, তখন একজন সাধারণ কর্মচারী ছিলেন । এখন খোদার অশেষ রহমতে তিনি একজন টেকনিশিয়ান । তাঁর বেতন বেড়েছে, বোনাস পাচ্ছেন, কাপড়-চোপড় এবং খাদ্য-খাবারের পরিমানও বেড়েছে … প্রতি মাসে … হ্যাঁ, তাই । পুরনো অস্ত্রাগারে কাজ করার সময় তিনি নিজের জন্য বাগিয়েছেন … তিনি যদি বিয়েশাদী করেন, তাহলে ওরা বসবাস করার জন্য অ্যাপার্টমেন্ট দিবে … তোমার মা কোথায়, তাহলে ? আমাকে বলতে এসো না যে দুষ্ট লোক বাড়িতে এসে তোমার মাকে নিয়ে গেছে ?”
লোকটি মশকরা করতে চেয়েছিল । গহর তখনও উল্টোদিকে মুখ করে দাঁড়িয়েছিল । তাই বাবার চোখেমুখে ক্ষণিকের হাসি সে দেখতে পায়নি ।
“মা কার্পেট বোনার কাজে ব্যস্ত আছেন । তিনি সকাল থেকে নিচে একবারও নেমে আসেননি ।”
একসময় বাবা পাশের ঘরে প্রবেশ করেন । গহর তাঁকে অনুসরণ করে । অন্ধকার পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য গহর কয়েকবার চোখের পাতা খোলে, আবার পরমুহূর্তে বন্ধ করে ।
বাবা বললেন, “এই ঘরে ভালোই লাগছে, ঠান্ডাও আছে । এখানে টেবিলটা পেতে দে । উঠানের গেট বন্ধ করে দিস । বাইরে থেকে যাতে অপরিচিত লোকজন আমাদের দেখতে না পারে ।”
গহর পুনরায় বাইরে যায় । যাওয়ার সময় সে সজোরে দরজার পাল্লা বন্ধ করে এবং পাশের ঘর পেরিয়ে গিয়ে সিঁড়ির নিচের সুইচ টিপে রান্নাঘরের বাতি জ্বালায় । তখনও তার চোখ সূর্য্যের তীব্র আলোয় ভরে আছে । সে স্বগোক্তির মতো করে বললো, “মায়ের জন্য এক জোড়া চশমা আনতে বাবাকে বলেছি । তা নাহলে মা শীঘ্রই অন্ধ হয়ে যাবেন । আমার কথা শুনতে পেয়ে মা বলেছেন, ‘তোকে বলেছি, আমি চশমা চাই না । বুড়ি হয়ে গেছি । আমার চশমার দরকার নেই ।’ আসলে মা মনে করেন, অন্যদের সামনে চশমা পড়লে তার লজ্জা লাগবে । বাবা এই সুযোগে টিপ্পনি কেটে মাকে বলেছেন, ‘কে বলেছে, তোমার জন্য চশমা আনবো ?’’’
তখন নীল বাতির এক পাশের তিনটা সলতে থেকে ধোঁয়া উপরের দিকে উঠে যাচ্ছিল ।
মেঝে থেকে প্রায় এক মিটার উপরে তাঁত মেশিনের সামনে মা হাঁটু ভেঙে বসে ছিলেন । তাঁর ডান হাতের আঙুলের ফাঁকে তাঁতের সূতা এবং একটা কাঁচি । এই কাঁচি দিয়ে তিনি সূতা কাটেন । হঠাৎ তাঁর হাত থেকে কাঁচিটা কোলের উপর পড়ে যায় । একপাশে তাঁর মাথা নুইয়ে পড়ে । সেদিকে অসমাপ্ত কার্পেট ঝুলে আছে । তাঁর মাথার কালো চুল অনায়াসে ঘাড় অবধি পৌঁছুতে পারে । কিন্তু তখন সাদা ফিতা দিয়ে মাথার চুল বাঁধা ছিল ।
বাবা সরাসরি কাপড় শুকানোর জায়গায় যান । তিনি তার কোমরের বেল্টের বগলস্ আনতে গিয়েছেন ।
মাকে উদ্দেশ্য করে বাবা বললেন, “জোহরের নামাজের সময় হয়েছে । কাজ বন্ধ করো ।’’
মায়ের কোন সাড়াশব্দ নেই ।
তারপর বাবা আরো বললেন, “খোদা চাহে তো আমরা আগামিকাল বিকেলে রওনা হবো । তার আগে আমার ভাই এবং আহমেদ এখানে আসবে । তোমার কাছে ভালো বিছানাপত্র আছে, তাই না ? আমরা কয়েকদিন বন্দরে থাকবো । তারপর সেখান থেকে সমুদ্রের দিকে যাবো । সবশেষে আমরা দুবাই এবং তার আশেপাশের জায়গা দেখবো । আহমেদ বলেছে, গত বছরের তুলনায় এবছর নাকি অনেক বেশি চাকুরি পাওয়ার সুযোগ আছে । তবে এ কথাও সত্যি যে, কাজ করার লোকজনের সংখ্যাও অনেক বেড়ে গেছে ।’’
সূর্য্যের তীক্ষ্ণ আলো জানালা গলিয়ে ঘরের মাঝে এসে ঠিকরে পড়েছে । ঘরের ভিতর খোলা হাওয়ায় ভাসমান ধূলোবালির কণা আরো বেশি চিকমিক করছিল ।
“তুমি কি মনে করো না যে, এই সময় দু’হাত দীর্ঘ কার্পেট বুনলে ভালো হতো ? ওগুলোর চাহিদা অনেক বেশি এবং ভালো বিক্রি হতো ।’’ বাবা নিজের কন্ঠস্বর নিজেই শুনতে পেলেন ।
মায়ের হাতের আঙুল সাদা উলের স্তুপের উপর স্থির হয়ে আছে । ঘরের ভিতর কার্পেট বোনার মাকুরের কোন শব্দ হচ্ছিল না, এমনকি অন্য কোন আওয়াজও ছিল না ।
“বাড়ি ফেরার পথে আমি নসরুল্লাহর ছেলেকে দেখেছি …,’’ কথাটা অসম্পূর্ণ রেখে বাবা মাঝপথে থামলেন । তারপর একটু থেমে তিনি পুনরায় বললেন, “তুমি কী বধির এবং বোবা হয়ে গেছ ? আমার কথার জবাব দিচ্ছ না কেন ?’’
তারপরেও ঘরের ভেতর থেকে কোন কথা বা শব্দ ভেসে আসেনি । সাধারণতঃ মা যখন কার্পেট বোনার কাজে ব্যস্ত থাকেন, তখন তিনি হয় রেডিও শোনেন, নতুবা আপনমনে গুণগুণ করে গান করেন । তখন ঘরের ভিতর বাতাসের মধ্যে রেডিওর শব্দ কিংবা গানের সুর ভেসে বেড়ায় । সেই পরিবেশে তাঁর সমস্ত শরীর, বিশেষ করে ঘাড়, হাত, কনুই এবং হাতের আঙুল তাল মিলিয়ে একই গতিতে কাজ করে । তখন সূতা কাঁটার সামান্য শব্দও কেমন যেন নিস্পৃহ এবং একঘেঁয়েমীর মতো লাগে । কার্পেট বোনার সময় মাকুটা তিনি একদিক থেকে অন্যদিকে নিয়ে যান এবং আবার আগের দিকে ঘুরিয়ে আনেন । এভাবেই তিনি কার্পেট বোনেন । তবে তিনি খেয়াল রাখেন যেন কার্পেটের বুনন আঁটসাঁট এবং মজবুত হয় ।
“সাড়ে বারোটা বাজে । এবার উঠো । আমাদের কিছু খেতে দাও ।”
বলেই বাবা তাঁত ঘরের ভিতর ঢোকেন এবং আলতো করে মায়ের বাহুর উপর হাত রাখেন । মায়ের আঙুল থেকে উলের কুন্ডলী ফসকে যায় এবং নেতিয়ে পড়া হাতটা খুব জোরে গিয়ে কোলের উপর পড়ে । তৎক্ষণাৎ বাবা মায়ের ঘাড় শক্ত করে ধরেন এবং চোখের পলকে মাকে সোজা করে বসিয়ে তারস্বরে চিৎকার করেন, “গহর, কোথায় গেলি ? জলদি এখানে আয় ।”
বাবার চিৎকারের সঙ্গে সঙ্গেই গহর হাতের থালাগুলো মেঝের উপর রেখে এক দৌঁড়ে ঘরের ভেতর ঢোকে । বাবা কালো চুল ভর্তি মায়ের মাথা ধরে আছেন । মায়ের অর্ধেক শরীর বাতাসে ঝুলে আছে এবং বাকি অর্ধেক তাঁত বোনার সামনে পড়ে আছে ।
“সে তো মৃত ! হায় খোদা । সে কী মরে গেছে ?”
“শীঘ্রই পানি নিয়ে আয় । চোখেমুখে ছিটাতে হবে । তাহলে জ্ঞান ফিরবে । যা বলছি, তাড়াতাড়ি পানি নিয়ে আয় ।”
মায়ের দেহ ছড়িয়ে ছিঁটিয়ে বিছানো উলের উপর পড়ে আছে । সূর্য্যের আলো এসে তাঁর পড়নের কাপড়ের উপর হামলে পড়েছে । তাঁর মুখ প্রশান্ত এবং চোখের পাতা বন্ধ । এক বাটি পানি নিয়ে গহর ঝড়ের বেগে ঘরে ঢোকে । সে বাবার দিকে পানি ভর্তি বাটি এগিয়ে ধরে এবং মায়ের নিথর দেহের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে ।
“চলুন, মাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাই ।”
“এখন ডাক্তার কোথায় পাবো ? আহাম্মক ! মুখ ফাঁক কর । সে জ্ঞান হারিয়েছে । মুখটা একটু ফাঁক কর । আমি পানি ঢেলে দিচ্ছি ।”
“মায়ের পা দু’টি ফুলে গেছে ?”
“বাজে বকিস না । তার কিছুই হয়নি ।”
তখনও মায়ের চোখের পাতা বন্ধ । তিনি মেশিনের কাঠের ফ্রেমের সামনে নিশ্চুপ শুয়ে আছেন । পাশেই লাল রঙের উপর আকাশী নীল গোলাকার জায়গায় ছোট ছোট ফুলের কারুকাজ করা অসমাপ্ত কার্পেট ঝুলে আছে । মায়ের মুখের ভিতর যেটুকু পানি ঢালা হয়েছিল, তা ঠোঁটের কোণা দিয়ে গড়িয়ে পড়ে যায় । গহর অশ্রু ভেজা চোখ তুলে অসহায় দৃষ্টিতে বাবার দিকে তাকায় এবং শোকার্ত গলায় বললো, “তাহলে এবার নানেহ্ আলীকে ডেকে আনি ।”
সরু রাস্তার শেষ প্রান্তে নানেহ্ আলী থুতু ফেলে । সে পায়ের স্যান্ডেলের মাথা দিয়ে আশেপাশের ধূলোবালি জড়ো করে সেই থুতু ঢেকে দেয় । একটু দূরের ছায়ায় বাচ্চা ছেলেরা খেলছিল । ছেলেদের উদ্দেশ্য করে নানেহ্ আলী চিৎকার করে, “খেলার জন্য আর কোন জায়গা পাওনি ? অপদার্থ । সবাই বাড়ি যাও । নইলে মারবো কিন্তু ।”
গহর রীতিমত হাঁপাতে থকে । পিছন দিক থেকে সে নানেহ্ আলীর ঘাড়ে হাত রাখে । তারপর অস্থির এবং ভেজা গলায় বললো, “নানেহ্ আলী, নানেহ্ … আমার সঙ্গে জলদি আসুন । মাকে বাঁচান । তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন । বাবা বলেছেন, তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন ।”
“ঠিক আছে, চলো । ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই । হাঁটতে থাকো । আমি তোমার পেছনে আছি ।”
ছেলেগুলো তখনও নানেহ আলীকে নিয়ে হাসাহাসি করছিল ।
“এই মেয়ে, যাওয়ার আগে ভেষজ ঔষধগুলো নিতে হবে ।”
বলেই নানেহ্ আলী ঘুরে দাঁড়ান এবং দু’হাতের তালু দিয়ে আলতো করে গহরের গাল দু’টি চেপে ধরেন । তার কাছে একটা ছোট কালো বাক্স আছে । সেই বাক্সে তিনি ভেষজ ঔষধ রাখেন ।
“তেহরানের এক মাথা থেকে অন্য মাথা পর্যন্ত খোঁজ করেও এধরনের ভেষজ ঔষধ কোথাও পাবে না ।”
গহর বুড়ি নানেহ্ আলীর দিকে তাকায় । বুড়ির চোখের উপর কোন ভুরু নেই এবং চোখের পাতা শুকিয়ে আমসি হয়ে গেছে । তার মধ্যে কোন তাড়া নেই । একসময় নানেহ্ আলী বললো, “মনে আছে, গতবার যখন তোমার মায়ের পিঠ ব্যথা হয়েছিল ? তখন আমি একটা ঔষধ দিয়েছিলাম । তোমার মা ভালো হয়েছেন । সেই একই ভেষজ ঔষধ আবারো তাকে ভালো করে তুলবে ।”
*****
এক সপ্তাহ শোক কাটানোর পর হাজি আগা ভারমিনি কার্পেট মেপে বললো, “মাশদি, আমার কাছে এই কার্পেটের কোন মূল্য নেই । অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্য অন্য কোন দক্ষ তাঁতির কাছে দিতে হবে । তারপরেও বলবো, নিঁখুত এবং সুন্দর কার্পেটের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত । যদি কার্পেট নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে ?”
হাজি আগা হাতের তালু দিয়ে দাঁড়ি ঘষে । একসময় কার্পেটের উপর ঝুকে পড়ে সে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নকশা পর্যবেক্ষণ করে । সেই সময় পেছন দিকে তার দু’হাতের মাঝে তসবীর দানা চক্রাকারে ঘুরছিল ।
“কিন্তু হাজি আগা ! আমার মেয়ে নিজের চোখে দেখেছে, খোদা তার বিদেহী আত্মা শান্তিতে রাখুক, এই কাজ করার সময় ওর মা কত ঘাম ঝরিয়েছে ।”
“তাতে কী লাভ বলো, মাশদি ? সে তো না-ফেরার দেশে চলে গেছে এবং কাজটা শেষ করে যায়নি ।”
বলেই হাজি আগা কার্পেটের উপর থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে এনে গহরের দিকে তাকায় । বললো, “মাশদি, খোদা ওকে রক্ষা করুন । চোখের সামনে তোমার মেয়েটা বড় হয়ে গেল । ওকে তাঁতের কাজে লাগিয়ে দাও । শুরুতে মেয়েটা হয়তো ওর মায়ের মতো নিঁখুত এবং সুন্দর করে দু’হাত দীর্ঘ কার্পেট বুনতে পারবে না । কিন্তু নিদেন হলেও আস্তে আস্তে তোমার মেয়ে কাজ শিখে যাবে ।”

***

 লেখক পরিচিতি:           সমকালীন ইরানি বংশোদ্ভূত অভিবাসী কথাসাহিত্যের মধ্যে সৌদাবেহ আশরাফি অন্যতম নারী লেখক । তাঁর জন্ম ১৯৫৯ সালের ২ ডিসেম্বর । তিনি ১৯৮৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হন । পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে তিনি লেখালেখিকে মূল পেশা হিসাবে গ্রহণ করেন । ইরান এবং বিভিন্ন দেশের ফারসি সাহিত্য ম্যাগাজিনে তাঁর লেখা ছোটগল্প প্রকাশিত হয় । ছোটগল্প লেখক এবং ঔপন্যাসিক ছাড়াও তিনি একজন বিশিষ্ট অনুবাদক । তিনি ফারসিতে বেশ কয়েকটি ছোটগল্প এবং সাক্ষাৎকার তরজমা করেছেন । তিনি ইরান থেকে প্রকাশিত ‘ফায়ার ইন দ্য হুইট ফিল্ড’ ছোটগল্প সংকলনের রচয়িতা । এছাড়া ‘ফিশ স্লিপ অ্যাট নাইট’ তাঁর প্রকাশিত উপন্যাস । এই উপন্যাসের জন্য তিনি ২০০৫ সালে ইরানের সবচেয়ে সম্মানজনক ‘হোশাং গলশিরি’ সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন । বর্তমানে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের আরভিন শহরে বসবাস করছেন ।
গল্পসূত্র: ‘তাঁতি’ গল্পটি সৌদাবেহ আশরাফির ইংরেজিতে অনূদিত ‘দ্য লূম’ গল্পের অনুবাদ । নারীবাদী এই গল্পটি ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত ফ্রাঙ্কলিন লুইস এবং ফারজান ইয়াজদানফার সম্পাদিত এবং ইংরেজিতে অনূদিত ‘ইন এ ভয়েস অফ দেয়ার ঔন্’ ছোটগল্প সংকলন থেকে নেওয়া হয়েছে ।
******

মানবকণ্ঠ/স্বরলিপি

Leave a Reply

Your email address will not be published.